প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

কক্সবাজার সদর উপজেলা ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিখিল দাশকে জড়িয়ে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদের বিরুদ্ধে জলদাশ পাড়ার সমাজ ও গ্রামবাসি প্রতিবাদ জানিয়েছে।

১৯ মে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের জলদাশ পাড়ার সমাজ ও গ্রামবাসির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়।

গত ১৭ মে সোমবার দৈনিক রুপসীগ্রাম পত্রিকায় ২য় পাতায় এবং বিভিন্ন অনলাইনে কক্সবাজার সদর ইসলামাবাদ ইউনিয়নে জলদাশ পাড়া এলাকার একটি জেলে পরিবার কে দীপক দাশ ও নিখিল দাশ ঘর ছাড়া করার অভিযোগ পাওয়া গেছে মর্মে যে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক, ভিত্তিহীন!

সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিল নাই, যা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা মাত্র। মুল ঘটনা হচ্ছে যিনি অভিযোগ তুলেছে তার ছেলে কপিল মনি দাশ নামের এক বখাটে ছেলে বিগত ২ বছর আগে স্থানীয় এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে গোপন স্থানে নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে আটকে রাখে। ভিকটিমের অভিভাবকদের অনুরোধে স্থানীয় পূজা কমিটির নেতা হিসেবে মানবিক বিবেচনায় প্রশাসনকে সাথে নিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে আনেন নিখিল দাশ৷ সেই সময়ে অভিযুক্ত কপিল মনি দাশকে আসামী করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলার বিষয় জানতে পেরে অভিযুক্ত কপিল মনি দাশ আত্মগোপনে চলে যায়। মুলত এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে কপিল মনি দাশের বাবা কয়েকজন উগ্র হিন্দু নেতাদের কু-পরামর্শে আমাদের এলাকার তরুণ সম্ভাবনাময়ী শিক্ষিত ছেলে নিখিল দাশকে জড়িয়ে মিথ্যা, হাস্যকর, বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সেই সাথে কক্সবাজার সদর উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সফল সভাপতি সনাতন সম্প্রদায়ের অভিভাবক দীপক দাশের বিরুদ্ধেও মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীন মনগড়া প্রপাগাণ্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। মোদ্দা কথা হচ্ছে, কপিল মনি দাশকে বাঁচাতে তার বাবা এই পন্থা অবলম্বন করে যাচ্ছে।নিখিল দাশ পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছে। এমন সময়ে কিছু সনাতন ধর্মাবলম্বীর নেতা নামধারী ব্যক্তি তাদের মতের অমিল থাকায় নিখিল দাশ’র সুনাম ক্ষুন্ন করতে এই মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন মনগড়া সাজানো সংবাদ সম্মেলন নিয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিবেদক
এলাকাবাসীর পক্ষে
শ্রীপদ দাশ, ফনিন্দ্র দাশ, বিজয় দাশ, অধিরঞ্জন দাশ, লক্ষীকান্ত দাশ, ভক্ত দাশ, সনাতন দাশ, মিন্টু দাশ, সিদুল দাশ, গোবিন্দ দাশ, অনিল দাশসহ এলাকাবাসী

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •