প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেছেন গনতন্ত্রের মানস্যকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশ এখন উঠে দাঁড়িয়েছে। সামরিক স্বৈরচার, মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকারী জেঃ জিয়া শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরতে না দিতে বিশ্বব্যাপী ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছিলেন। এসব ষড়যন্ত্রকে নাস্যাৎ করে দিয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিলেন শেখ হাসিনা। ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করে দেশে মুল চেতনাকে ধংস করেছিলেন জেঃ জিয়া। বর্তমানে তা পুনরুদ্ধার করার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা হারানো বাংলাদেশকে ফিরে পেয়েছি। একই সাথে বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাড়ানোর শক্তি অর্জন করেছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া কামনা করে বলেন তিনি জিতলে বাংলাদেশ জিতে, তিনি হাসলে বাংলাদেশে হাসে।
১৭ মে শেখ হাসিনার স্বাদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। বিকেল ৩টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ফরিদুল আলম। ধর্মবিষয়ক সম্পাদক কুতুব উদ্দিন ইলাহীর কোরআন তেলোয়াত ও উপ-প্রচার সম্পাদক এহছানুল করিম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এম আজিজুর রহমান, মহেশখালীর পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া, সহসভাপতি মাস্টার লিয়াকত আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্রজ গোপাল ঘোষ, হোয়ানকে চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাজেদুল করিম, যুগ্ম আহবায়ক এডঃ শেখ কামাল, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিনা আকতার, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার আলম, কুতুবজুম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম রবি, ছোট মহেশখালী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল করিম ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হালিমুর রশিদ। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রণব কুমার দে, জিল্লুর রহমান মিন্টু মেম্বার, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আবদু শুক্কুর, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী প্রীতি কণা শর্মা, অনিকা আকতার রুমা, ইমরান উল্লাহ, ছাত্রনেতা শাহনেওয়াজ সানু, কায়ছার জাহাঙ্গীর, মুজিবুল হাসান, নুর মোহাম্মদ বাদশা, মোঃ শাহজাহান ও শাহেল মোঃ আশেক। সভার শুরুতে কালারমারছড়া আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার বশির আহমদ, কুতুবজুম আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাস্টার রওশন আলী, আওয়ামী লীগের সংগঠক সিরাজুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী ছেনোয়ারা বেগম, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুল আলম ও হোয়ানক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম শরীফ এর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। এক মিনিট নিরবতা পালন শেষে প্রয়াত নেতৃবৃন্দের রুহে আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •