মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু:
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাকঢালা বড়ছড়া এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় এক প্রতিবন্ধীসহ একই পরিবারের ৪ ভাই আহত হয়। স্থানীয় ফইজুল্লাহ ও রশিদ আহাম্মদ জানান, গত ২১ এপ্রিল সন্ধ্যায় জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ মোঃ রফায়েত উল্লাহ ও শাহাবুদ্দিন গংদের নেতৃত্বে হামলা চালায় এতে মোস্তাক আহম্মদের ছেলে মোঃ ইকবাল(৩০) মোঃ আয়াছ (৪৫) প্রতিবন্ধী মোঃ ইদ্রিস (২৫) মোঃ আবদুল হাই (২২) গুরতর আহত হয়ে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাসলে চিকিৎসাধীন আছেন।

তারা আরো জানান, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মাঝে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিষয়টি নিয়ে আরো কয়েকবার মারামারির ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান ও রয়েছে। এছড়াও রয়েছে আদালতের নিষেধাজ্ঞা। রফায়েত গংরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা না মেনে ধান কাটতে গেলে ইকবাল ও তার ভাইরা বাধা প্রদান করলে দুই পক্ষের মাঝে ফের হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় রফায়েত উল্লাহ গংরা লোহার রড ও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করলে ঘটনাস্থলে প্রতিবন্ধী ইদ্রীসসহ তারা ৪ ভাই গুরতর আহত হয়। লোকজন তাদের মুমূর্ষ অবস্থায় কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। একই ঘটনায় রফায়েত উল্লাহ ও তার ছেলে নুর হোসেনও সামান্য আহত হয়। ইকবাল জানান বর্তমানে তিনি ও তার ভাই আবদুল হাই কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও আজ পর্যন্ত তাদের ভাই প্রতিবন্ধী ইদ্রীস ও আয়াজ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় সংকটাপন্ন অবস্থায় মৃত্যুযন্ত্রনায় ধুঁকে ধুঁকে মরছে।

তিনি আরো জানান,রফায়েত ও শাহাবুদ্দীন গংরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এলকার সমাজ সেবক রশিদ আহাম্মদ জানান,বর্তমানে চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন প্রতিবন্ধী ইদ্রীসের দুই চোঁখ অন্ধ ও এক সাইট পঙ্গু হয়ে গেছে। আর আয়াজ বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে। এবিষয়ে উভয় পক্ষ নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেন। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার এস আই আবু বক্কর থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুই পক্ষের কাউন্টার মামলা থাকায় তারা উভয় পক্ষ পলাতক রয়েছে। তবে প্রতিবন্ধী ইদ্রীস ও আয়াজের অবস্থা ভাল নয় এটা তিনি শুনেছেন। ঘটনার বিষয়ে রফায়েত উল্লাহ’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •