আতিকুর রহমান মানিকঃ
মালিকপক্ষের সরলতার সুযোগে বিপুল পরিমান নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, দামী মোবাইল ফোনসেট ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে গেছে পোলট্রি ফার্মের কর্মচারী। আর এতে পরিচর্যাহীনতা ও খাদ্য-পানি না পেয়ে মারা গেছে বিক্রয়যোগ্য আড়াই লাখ টাকার মুরগী৷ এ ঘটনা ঘটেছে সদরের জালালাবাদ ইউনিয়নের লরাবাক গ্রামে। এতে মাথায় হাত দেয়ার উপক্রম হয়েছে মালিকপক্ষের। পালিয়ে যাওয়া শাহাব উদ্দীন মহেশখালী উপজেলার মাতার বাড়ীর বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ও খামার মালিক গিয়াস উদ্দীন জানান, এর আগে তার পরিচিত এক ব্যক্তির খামারে চাকরি করত শাহাব উদ্দীন। পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রায় দুই মাস আগে নিজস্ব মুরগির খামারে শাহাব উদ্দীনকে নিয়োগ দেন। সেখানে প্রায় দেড় মাস কর্মরত ছিলো সে । এর মধ্যে গত ১৬ এপ্রিল মালিক গিয়াস উদ্দীন ব্যবসায়িক কাজে কক্সবাজার শহরে যায়।
তখন বাড়িতে ছিলো শুধুমাত্র বৃদ্ধা মা। এই সুযোগে বাড়ির বেডরুমের তালা ভেঙে সেখানে থাকা পাঁচ ভরি স্বর্ণ, দুটি মোবাইল ফোন এবং আরো বেশ কিছু দামি মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায় শাহাব উদ্দীন। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৫লাখ ৭০ হাজার টাকা হবে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে শাহাব উদ্দীন পালিয়ে যাওয়ায় সারাদিন খাবার ও পানি না পেয়ে খামারের প্রায় আড়াই লাখ টাকার মুরগি মারা গেছে বলে জানিয়েছেন মালিক
গিয়াস উদ্দীন। এতে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব গেছেন তিনি।

শাহাব উদ্দীনের বাড়ি মহেশখালীর মাতারবাড়িতে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান করেও এখন পর্যন্ত তার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

গিয়াস উদ্দীন জানিয়েছেন, সরল বিশ্বাসে কাছে টেনে নিয়ে কর্মচারী হলেও শাহাব উদ্দীনকে নিজের বাড়িতে থাকতে দেয়া হয়। এ সুযোগে সহায় সম্পদ চুরি পালিয়েছে প্রতারক শাহাব উদ্দীন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •