সিবিএন ডেস্ক:
ভারতের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার দেশটিতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে চার লাখ ১৪ হাজারের বেশি রোগী। যা বিশ্বের যে কোনও দেশেই এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের পরিমাণ। এছাড়া এদিন নতুন করে মৃত্যু হয়েছে আরও তিন হাজার ৯১৫ জনের। করোনা মোকাবিলায় অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি এখনও দেশটির সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ভারতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। গত ১ মে দেশটিতে দৈনিক সংক্রমণ প্রথমবারের জন্য চার লাখ ছাড়ায়। তার পর চার দিন সাড়ে তিন লাখের বেশি থাকলেও চার লাখের নিচেই ছিল নতুন শনাক্তের সংখ্যা। তবে বৃহস্পতিবার শনাক্ত হয় ৪ লাখ ১২ হাজারের বেশি। আর শুক্রবার সেই পরিমাণও ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে দেশটিতে সক্রিয় রোগীর পরিমাণ ৩৬ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৪ জন।

গত ১ মার্চেও ভারতে এক দিনে শনাক্ত হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার ৫১০ জন রোগী। সেই দেশেই গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন তিন লাখের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। করোনা মহামারিতে ভারতের প্রায় দুই লাখ ৩৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর এই সপ্তাহে ভারতের মোট আক্রান্তের পরিমাণ দুই কোটি ছাড়িয়ে যায়।

করোনা মোকাবিলায় নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করেছে রাজস্থান ও কেরালা। রাজস্থানে ১০ থেকে ২৪ মে এবং কেরালায় ৮ থেমে ১৬ মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সংক্রমণ ঠেকাতে আরও কয়েকটি রাজ্যও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

গত সপ্তাহে ভারত সব প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে। তবে বহু রাজ্যই টিকা সংকটের কথা জানাচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন টিকাদানের হার কোনওভাবেই ধীর হতে দেওয়া যাবে না।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •