বার্তা পরিবেশক :

এবার মহেশখালীর ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে মহেশখালী কলেজের শিক্ষক (আইসিটি) আবু ছরওয়ার রানা। তিনি সাইবার ক্রাইম ট্রাইবুনাল আদালত, চট্টগ্রামে এই মামলা করেন। মামলাটি মহেশখালী থানাকে তদন্ত দেন বলে জানা যায়। তবে ৬ সাংবাদিকের দাবী, নারী কেলেংকারীর  সংবাদ প্রকাশ করায় মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন বাদী ।

এই সাংবাদিকরা হলেন- কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত আজকের দেশবিদেশ পত্রিকার মহেশখালী প্রতিনিধি সিরাজুল মোস্তফা রুবেল, দৈনিক ইনানী পত্রিকার প্রতিনিধি আবু নাছের মোঃ হাসান, দৈনিক আমাদের কক্সবাজার পত্রিকার প্রতিনিধি গাজী আবু তাহের, দৈনিক সৈকত পত্রিকার প্রতিনিধি ফারুক ইকবাল, দৈনিক মেহেদী পত্রিকার প্রতিনিধি রিফাত, দৈনিক সাগরদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি আজিজ সিকদার।

জানা যায়, গত ১৯ তারিখ রাতে মহেশখালী পৌরসভার চরপাড়া এলাকায় আপত্তিকর অবস্থায় এক নারী সহ কলেজ শিক্ষক রানাকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে উক্ত ঘটনায় কলেজ শিক্ষক রানার বিরুদ্ধে এলাকার লোকজন মহেশখালী কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর অভিযোগ দেন। কলেজ কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত ৫ মে চরপাড়া এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে শিক্ষক রানার নারী কেলেঙ্কারির বিচার চেয়ে মানববন্ধন করে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ৪০ জন এলাকাবাসীর স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি জমা দেন।

এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। দ্রুত মূল ঘটনা উন্মোচন করা হবে।

এই ঘটনায় সাংবাদিকরা অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় নিউজ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ও মূল ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে ঐ শিক্ষক মহেশখালীর ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে এই মামলা করে বলে মামলায় অভিযুক্ত সাংবাদিকরা জানায়। তারা আরো জানান, এই শিক্ষক দুটি আলোচিত হত্যা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী।

এই ব্যাপারে মামলার বাদী আবু সরওয়ার রানা জানান, তার বিরুদ্ধে  করা নারী সংক্রান্ত অভিযোগ মিথ্যে। মূলত বিগত ১৯ এপ্রিল গোরকঘাটা চরপাাড়া এলাকায় একটি মেয়েকে নিয়ে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনার কারণে সে মহেশখালী থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করে। যা মহেশখালী থানার মামলা নং ২৭/০৪/২০২১ জিআর নং-১০৩/২০২১। কিন্তু অত্র মামলার আনম হাসানের নেতৃত্বে অন্যান্য আসামীগণ উক্ত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য এবং রানাকে সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এবং বাদীর সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য তাদের নিজস্ব ফেসবুক আই.ডি থেকে উপরোক্ত মামলার বাদীনিকে জড়িয়ে বিভিন্ন কুৎসা রটনা করে প্রচার করতে থাকে। যাহা বাদী সামাজিক ভাবে এবং মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে এবং সামাজিক ভাবে বাদীর সুনাম ক্ষুন্ন হয়।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •