সাজন বড়ুয়া সাজু :

উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন আজ যেন হাতের মুঠোয়। সে স্বপ্ন আজ  রূপ নিচ্ছে বাস্তবে।  পাকা ব্রীজ হচ্ছে এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষের একমাত্র পারাপারের কাঠের ব্রীজটি।

বিভিন্ন টিভি চ্যানেল,পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রেজুরকুল, পিনজিরকুল,ঘোনারপাড়া মানুষের চলাচলের একমাত্র পথ কাঠের ব্রীজের প্রতিবেদন তুলে ধরার পর পরই যেন স্বপ্ন সার্থক হতে চলেছে এই এলাকার মানুষের। অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর,১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল কবির চৌধুরী ও গ্রামের অন্যতম জনপ্রতিনিধি প্রফেসর শাহ আলম এর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ইটযুক্ত পাক্কা ব্রীজের কাজ গতকাল থেকে শুরু হয়েছে।

গতকাল অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ব্রিজের কাজের অগ্রগতি দেখতে আসেন।এই সময় রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী,উখিয়া উপজেলা চীফ ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম,রাজাপালং ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউ.পি সদস্য নুরুল কবির চৌধুরী,বিশিষ্ট সমাজ সেবক প্রফেসর শাহ আলম,সমাজ সেবক ছাবের আহমেদ, রত্না পালং ৯ নং ওয়ার্ডের ইউ.পি সদস্য মোঃ সেলিম কাইসার, হলদিয়া পালং ৮নং ওয়ার্ডের ইউ.পি সদস্য- স্বপন শর্মা রনিসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন এই ব্রীজটা করার জন্য আমরা বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দপ্তরের বিভিন্ন দরখাস্ত প্রেরণ করে অনেক চেষ্টার পর আজ আমরা ব্রীজ নির্মাণের কাজ শুরু করতে পেরেছি।তিনি আরও বলেন রাজাপালং ১ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন আজ পূরণ করতে পেরেছি বলে নিজেকে অনেক গর্বিত মনে হচ্ছে।

রেজুরকুল গ্রামের যুবনেতা রুবেল বড়ুয়া বলেন আজ আমরা সত্যিই অনেক আনন্দিত কেননা এই ব্রিজটি হওয়া মানে আমাদের স্বপ্ন বাস্তবে রুপ দেয়া।জন্ম থেকে আমরা অনেক কষ্টে পারাপার হচ্ছি।
কানন বড়ুয়া বলে এই ব্রিজটি পাক্কা হবার স্বপ্ন আমাদের আজ সার্থক হল।আমরা ৩ গ্রামের প্রাণের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের।

দীর্ঘ বছর পর পাক্কা ব্রিজ হওয়াতে যেন আনন্দে আত্মহারা গ্রামবাসী তাই অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর কাছেও চিরকৃতজ্ঞ প্রকাশ করেন গ্রামের লোকজন।