সিবিএন ডেস্ক:
‘ভুল তথ্য, অপপ্রচাররোধে মুক্ত এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সাংবাদিকতা হলো একটি গণসম্পদ’।

রোববার (২ মে) ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ উপলক্ষে এক বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এ কথা বলেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, করোনা ভাইরাস (কোভিড–১৯) মহামারির সময় আমরা বিশ্বব্যাপী যে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করেছি, সেগুলো জীবন বাঁচাতে এবং শক্তিশালী, স্থিতিশীল সমাজ গঠনে নির্ভরযোগ্য, যাচাইকৃত এবং সর্বজনীনভাবে সহজলভ্য তথ্যগুলোর সমালোচনামূলক ভূমিকাকে চিহ্নিত করে।

মহামারি এবং জলবায়ুর জরুরি অবস্থাসহ অন্যান্য সংকটময় সময়ে, সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা ক্ষতিকর ভুল এবং মিথ্যাচারকে মোকাবিলাসহ আমাদের দ্রুত-পরিবর্তিত এবং প্রায়শ অপ্রতিরোধ্য তথ্যের দৃশ্যপট তুলে ধরতে সহায়তা করেন।

তিনি বলেন, অনেক দেশেই কেবল নিজেদের কাজের জন্য তারা নতুন বিধিনিষেধ, সেন্সরশিপ, অপব্যবহার, হয়রানি, আটক এবং এমনকি মৃত্যুসহ অনেক বড় ব্যক্তিগত ঝুঁকিতে থাকে। সেই পরিস্থিতি আরও খারাপ দিকেই যাচ্ছে।

মহামারির অর্থনৈতিক প্রভাব অনেক প্রচার মাধ্যমকে কঠোরভাবে আঘাত করেছে, যা তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। বাজেট সংকটের সঙ্গে সঙ্গে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়াও কঠিন হচ্ছে। এই শূন্যস্থান পূরণ করতে গুজব, মিথ্যা এবং চূড়ান্ত বা বিভাজিত মতামত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি সব সরকারকে তাদের ক্ষমতানুযায়ী একটি মুক্ত, স্বাধীন এবং বহুমুখী প্রচার মাধ্যমকে সমর্থন করার জন্য সবকিছু করার আহ্বান জানান।

জাতিসংঘ সাংবাদিক নিরাপত্তাবিষয়ক কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা, কারণ তথ্য হচ্ছে একটি গণসম্পদ।
আজ আমরা একটি মুক্ত, স্বাধীন এবং বহুত্ববাদী আফ্রিকান সংবাদমাধ্যম উন্নয়নের জন্য উইন্ডহোক ঘোষণাপত্রের ৩০তম বার্ষিকী উদযাপন করছি। গত তিন দশকে গণমাধ্যমে নাটকীয় পরিবর্তন সত্ত্বেও, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং তথ্যের অবাধ প্রবেশাধিকারের জন্য ঘোষণাপত্রের জরুরি আহ্বান যথারীতি প্রাসঙ্গিক।

উল্লেখ্য, আগামী ৩ মে সারা বিশ্বে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •