বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
ছনুয়া কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় স্কুল হলরুমে উক্ত মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।

ছনুয়া কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হোসাইন শরীফির সভাপতিত্বে, সহকারী শিক্ষক নবাব আলীর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদ্য নিযুক্ত এডহক কমিটির সভাপতি জিল্লুল করিম শরীফী,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন মোহাম্মদ আমিরুল হক এমরুল কায়েস, সমাজ সেবক বোরহান উদ্দিন চৌধুরী
মিজান মিয়া, আবুল বশর, জাহেদুল ইসলাম, শমসের শরীফি, আবদুল মাবুদ প্রমুখ।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিল্লুল করিম শরীফি বলেন, ‘ দুই বছর ধরে সংগ্রাম করতেছি। দুই বছর পর আমার দোয়া কবুল হলো। এমপি মহোদয়ের ডিউলেটারে আমি এই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলাম। আমি উনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বাঁশখালীতে এসএসসি পরীক্ষার হল ছিল জলদিতে। আর কোথাও ছিল না। কিন্তু ছনুয়াতে ছিল। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এই স্কুলের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সবার সহযোগিতা চাই।’

তিনিও ছনুয়া কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন উল্লেখ করে বলেন, ‘আমিও এই স্কুলের একজন প্রাক্তন ছাত্র। আমি যখন অষ্টম শ্রেণি থেকে বিদায় নিয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে চলে যাচ্ছি, তখন এই কাদেরিয়া স্কুলের অবস্থা ছিল নাজুক। গরু-ছাগলের বিচরণ ছিল। এখন আর সেই দিন নেই। এখন পরিবর্তনের পালা। জননেত্রী শেখ হাসিনা রাতকে দিন আর দিনকে রাত করেন।’

ছনুয়া আলহাজ্ব মৌলভী নজরুল ইসলাম পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা লায়ন মোঃ আমিরুল হক এমরুল কায়েসকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আমার ভাই (এমরুল কায়েস) এই ছনুয়ায় একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। উনি পারলে আমরা কেন পারবো না এই স্কুলের পরিবর্তন করতে? এই স্কুলের চারিদিকে বাউন্ডারি ওয়াল নেই। করোনার পর সবকিছুর পরিবর্তন হবে। ইনশাআল্লাহ।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লায়ন মোহাম্মদ আমিরুল হক এমরুল কায়েস বলেন, ‘ছনুয়ায় আসার জন্য একটা রাস্তা নেই। ঘাট নেই। ছনুয়ার অর্ধেক স্টুডেন্ট রাজাখালী ফৈজুন্নেছা হাই স্কুল, নাপোড়া হাই স্কুল ও পুইছড়ি ইজ্জতিয়া হাই স্কুলে চলে যাচ্ছে। এটার কারণ স্কুলের শিক্ষা ব্যবস্থার নয়। পরিবেশগত দিকও আছে। যেমন ৬, ৭, ৮ ও নম্বর ওয়ার্ড থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা আসতে পারে না দূর্গম এলাকা হওয়ায়। আর শুধু প্রধান শিক্ষক একজনের পক্ষে স্কুলের পরিবর্তন সম্ভব না। উনার বয়স হয়েছে। উনি এই স্কুলের জন্য অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বাঁশখালীতে এমপি সাহেবের আপন মানুষ জিল্লু ভাই। উনি চাইলে পারবেন এই ছনুয়ার পরিবর্তন করতে। আমিও সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি। কয়েকটি রাস্তার উন্নয়ন করেছি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সালাম সাহেবের আন্তরিকতায়। ছনুয়া জেটিঘাটে একটি বাথরুম সহ যাত্রী ছাউনি হবে।’

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •