অনলাইন ডেস্ক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমরা গত বছরের মে মাস থেকে ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছি। যার কারণে অনেক দেশের আগে ভ্যাকসিন দিতে পেরেছি এবং সুন্দরভাবে দিয়েছি। আমরা তিন কোটি ডোজ অর্ডার দিয়েছিলাম। কিন্তু আফসোসের বিষয় টাকা দিয়েও ভ্যাকসিনগুলো সময়মতো পাচ্ছি না।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) প্রাঙ্গণে ভ্যাকসিন ইস্যু ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা তিন কোটি ডোজ অর্ডার দিয়েছিলাম এবং টাকাও দিয়েছি। কিন্তু আফসোসের বিষয়, ভ্যাকসিনগুলো সময়মতো পাচ্ছি না। ফলে ভ্যাকসিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং বেক্সিমকো চেষ্টা করে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। আমরা মনে করি, চীন-রাশিয়া থেকেও কিছু ভ্যাকসিন আগামীতে আনতে পারব। চীন আমাদের পাঁচ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি তারা উপহার হিসেবে দেবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বারবার অনুরোধ জানিয়েছেন ভ্যাকসিনের জন্য। আশা করছি, আমরা তাড়াতাড়ি পাব। কিন্তু কখন পাব সেই সঠিক সময়টি জানতে পারিনি। হয়তো অল্পদিনের মধ্যে জানতে পারব। কিন্তু আমরা শুধু ভারতের ভ্যাকসিনের জন্য বসে নেই। চীন, রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এবং সেটা বেশকিছু দূর এগিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভ্যাকসিন নিয়ে পৃথিবীতে একটা টানাপোড়েন আছে। কারণ ভ্যাকসিন উৎপাদন কম। ১০ ধনী রাষ্ট্র ৭০ শতাংশ ভ্যাকসিন নিয়ে গেছে। অনেক রাষ্ট্র আছে এখন পর্যন্ত নিতেই পারেনি। আমাদের আশেপাশের দেশেও ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু হয়নি। কিছু দেশে অল্প অল্প শুরু হয়েছে, কিন্তু আমাদের মতো ব্যাপকভাবে তারাও দিতে পারেনি।’

বর্তমানে যে পরিমাণ রোগী আছে তাতে এই মুহূর্তে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে মন্তব্য করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রোগী যদি সাত হাজারের জায়গায় ২১ হাজার হয় তাহলে সংকট হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম উপস্থিত ছিলেন।
-সারাবাংলা

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •