এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণে সর্বসাধারণের মাঝে বেড়েছে আগ্রহ। ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে সারাদেশে শুরু হওয়া টিকা গ্রহণ কার্যক্রমের আওতায় গেল তিনমাসে চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকার ১৬ হাজার ৩৭১ নারী-পুরুষ ইতোমধ্যে নিবন্ধন করেছে। আর উল্লেখিত সময়ে টিকা প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১৩ হাজার ১৩৭ জন নাগরিক। সর্বশেষ শনিবার ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান গ্রহন করেছেন ৬৩২২ নারী-পুরুষ। আর শনিবার একদিনে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৫১৬জন। টিকা গ্রহনের এই তথ্য দিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যান কর্মকর্তা পলাশ দাশ।

চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা পলাশ দাশ বলেন, সারাদেশের সঙ্গে গত ৮ ফেব্রƒযারী থেকে চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালেও করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একইভাবে গত ৮ এপ্রিল) থেকে শুরু হয় দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান কার্যক্রম চলছে। শুরু থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত তিনমাসে টিকা গ্রহণ কার্যক্রমের আওতায় চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকার ১৬ হাজার ৩৭১ নারী-পুরুষ ইতোমধ্যে নিবন্ধন করেছে।

আর উল্লেখিত সময়ে টিকা প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১৩ হাজার ১৩৭ জন নারী-পুরুষ। সর্বশেষ শনিবার ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান গ্রহন করেছেন ৬৩২২ নারী-পুরুষ। আর শনিবার একদিনে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৫১৬জন। যাদের প্রথম ডোজ নেওয়ার ৮ সপ্তাহ পূরণ হয়েছে এবং দ্বিতীয় ডোজের জন্য এসএমএস পেয়েছেন তাদেরকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত যারা টিকা নেননি তাদের প্রথম ডোজ দেওয়ার কার্যক্রমও চলছে বলে জানিয়েছেন পরিসংখ্যান কর্মকর্তা পলাশ দাশ।

সুত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত করোনা ভ্যাকসিনের টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে, প্রথম ডোজের টিকা নেওয়া প্রায় সবার কাছে এসএমএসের মাধ্যমে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার তারিখ ও কেন্দ্র জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোনো কারণে কেউ যদি প্রথম ডোজ নেওয়ার পরও দ্বিতীয় ডোজের সময় ও কেন্দ্রের তথ্য এসএমএসে না পেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে প্রথম ডোজ নেওয়ার ঠিক দুই মাস পর যে কেন্দ্রে টিকা নিয়েছিল ওই কেন্দ্রে গিয়ে টিকা কার্ড দেখিয়ে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করতে হবে এমন তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •