এম বশির উল্লাহ,মহেশখালী :

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহাফুজুর রহমানের নেতৃত্বে মহেশখালী থানা পুলিশের একটি দল#cbn বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে শুরু করে বড় মহেশখালী , হোয়ানক, কালারমারছড়া, মাতারবাড়ি, শাপলাপুর, ছোট মহেশখালী ও পৌরসভার সব কটি বাজার ও স্টেশনে অবস্থান করে সাধারন মানুষকে বাড়ির বাইরে না আসতে সড়কে দাড়িয়ে মাইকিং করতে দেখা গেছে।

এসময় সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় এবং মাস্ক না পরার কারণে ১৫ টি মামলায় মোট সাড়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে প্রশাসন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই, পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) আশিক ইকবাল , সহকারী কমিশনার ভূমি এস এম আলমগীর সহ পুলিশ ও আনসারের একটি ইউনিট ।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অতি প্রয়োজনে যারা রিকশা বা সিএনজি অটোরিকশায় বের হচ্ছেন তাদেরকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ঘর থেকে বের হওয়ার কারণও জানতে চাচ্ছে পুলিশ। যানবাহনের বিরুদ্ধেও নেয়া হচ্ছে আইনী ব্যবস্থা।

এবারের লকডাউনে মহেশখালীর বিভিন্ন বাজারে মাছ, মাংস, কাঁচাবাজার, মুদি দোকানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানগুলো সকাল ৯ টা থেকে দুপুর বিকাল ৩ টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঔষধ এবং চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো এই নির্দেশে বাইরে থাকবে। তবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে রয়েছে আতঙ্ক। কতদিন থাকবে এই লকডাউন?

সামনে একটা ঈদ আসছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট চরমে।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহ্ফুজুুর রহমান বলেন, সার্বাতœক লকডাউনে আমরা মাঠে রয়েছি। রাস্তা থেকে মানুষকে ঘরে ফেরাতে দায়িত্ব পালন করছি । যারা বিধিনিষেধ অমান্য করে যানবাহন নিয়ে সড়কে নামছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারিদের জরিমানা করা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •