আলাউদ্দিন, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় লকডাউন বাস্তবায়নে বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহসান হাবিব জিতুর নেতৃত্বে লোহাগাড়া থানা পুলিশের একটি দল বটতলী মোটর স্টেশন অবস্থান করতে দেখা গেছে।

এসময় সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় এবং মাস্ক না পরার কারণে ১৮ টি মামলায় মোট ১৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এদিকে, দুপুরে পরির্দশনে আসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) মোঃ কবির হোসেন সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জাকের হোসাইন মাহমুদ, পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অতি প্রয়োজনে যারা রিকশা বা সিএনজি অটোরিকশায় বের হচ্ছেন তাদেরকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ঘর থেকে বের হওয়ার কারণও জানতে চাচ্ছে পুলিশ। যানবাহনের বিরুদ্ধেও নেয়া হচ্ছে আইনী ব্যবস্থা।

এবারের লকডাউনে লোহাগাড়ায় মাছ, মাংস, কাঁচাবাজার, মুদি দোকানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানগুলো সকাল ৯ টা থেকে দুপুর বিকাল ৩ টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঔষধ এবং চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো এই নির্দেশে বাইরে থাকবে।

তবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে রয়েছে আতঙ্ক। কতদিন থাকবে এই লকডাউন? সামনে একটা ঈদ আসছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট চরমে।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহসান হাবিব জিতু বলেন, সার্বাত্নক লকডাউনে আমরা মাঠে রয়েছি। রাস্তা থেকে মানুষকে ঘরে ফেরাতে দায়িত্ব পালন করছি ।

যারা বিধিনিষেধ অমান্য করে যানবাহন নিয়ে সড়কে নামছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারিদের জরিমানা করা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •