ভুক্তভোগী প্রথম স্ত্রীর কন্যা

বার্তা পরিবেশক:
কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়ায় তিন ভাইবোনের পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের পাঁয়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সৎ মা এবং চাচা-ফুফুরা সংঘবদ্ধ হয়ে এতিম তিন ভাইবোনের ওয়ারিশী সম্পত্তি দখল করে রেখেছে। ভুক্তভোগীরা অসহায় হওয়ায় গায়ের জোরে অভিযুক্তরা পিতার মৃত্যুর দিনই তিন ভাইবোনকে পৈত্রিক ভিটা থেকে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পায়নি তারা। ফলে তারা ঘরছাড়া হয়ে মানবেতর দিন যাপন করছেন।

অভিযোগ সূত্রে, খরুলিয়ার সিকদার পাড়ার মৃত ফজলুর রহমান গত ১০ জানুয়ারি মৃত্যু বরণ করেন। তার দুই স্ত্রী রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর ঘরে রয়েছে দুই মেয়ে ও এক ছেলে এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে রয়েছে ৩ মেয়ে। মৃত্যুর আগে তিনি তার বসতভিটার দক্ষিণ অংশ প্রথম স্ত্রীর সন্তানদের এবং দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার সন্তানদের ভাগ করে দিয়ে দেন।

মৃত ফজলুর রহমানের প্রথম স্ত্রীর কন্যা ভুক্তভোগী জেসমিন আকতার টুম্পা জানান, পিতার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা পিতার ভাগ করে দেয়া বসতবাড়িতে বসবাস করেছেন। কিন্তু পিতার মৃত্যুর সাথে সাথে তাদের সৎ মা আনোয়ারা বেগম এবং চাচা ও ফুফুরা মিলে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দিতে তোড়জোড় শুরু করে। বের না হওয়ায় সবাই মিলে জেসমিন আকতার টুম্পাসহ তার ভাইবোনদের মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এতে তারা রক্তাক্ত আহত হন।

ভুক্তভোগী জেসমিন আকতার টুম্পা অভিযোগ করে বলেন, সৎ মা ও চাচা-ফুফুরা মিলে আমার পিতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন। তার সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য মূলত তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমার পিতার আকস্মিক মৃত্যু এবং তাকে তড়িগড়ি কবরস্থ এবং কবরস্থ না করতেই সম্পতি দখল চেষ্টাই তার প্রমাণ বহন করে।

ভুক্তভোগী জেসমিন আকতার টুম্পা অভিযোগ করে বলেন, সন্তান হিসেবে আমরা পিতার সম্পত্তির অধিকারী। পৃথিবীর আইন এবং শরীয়তে তা রয়েছে। কিন্তু আমরা অসহায় বলে গায়ের জোরে আমাদের পিতার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের আমার অধিকার পেতে সহযোগিতা কামনা করছি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান টিপু সুলতানের সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অবগত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি অসহায় পরিবারটিকে তাদের ন্যায্য দাবী মিঠিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •