ইমাম খাইর, সিবিএন:

লকডাউন শুধু শহরে নয়, গ্রামেও কঠোর করা হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।

তিনি বলেন, দিনদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়ছে। সেজন্য সরকার সারাদেশে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে। নিজেদের জীবনের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত সবার মানা উচিত। যারা সরকারের নির্দেশনা মনবে না তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সবাই মিলে করোনা প্রতিরোধের চেষ্টা করি।

সোমবার (৫ এপ্রিল) লকডাউনের প্রথম দিন শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক।

গতবারের লকডাউনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিম্ন আয়ের মানুষদের সহায়তা দেয়া হয়েছিল। এবার এমন কোন চিন্তা ভাবনা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, এটি সংক্ষিপ্ত সময়ের একটি নিষেধাজ্ঞা। পরে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

এ সময় তিনি সরকারি নির্দেশনা মতে লকডাউনবিধি মেনে চলতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান।

লকডাউনের প্রথম দিনে দুপুরে শহরের আইবিপি মাঠ, নিউ মার্কেট, বাজারঘাটা এলাকা পরিদর্শন করেন ডিসি মো. মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শ্রাবস্তী রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রাশাসক মো. আমিন আল পারভেজ, ব্যবসায়ী নেতা মোস্তাক আহমদ, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, লকডাউনের প্রথম দিন সকালে অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। অল্প সংখ্যক রিক্সা-অটোরিক্সা ছাড়া তেমন কোন যানবাহন সড়কে চলাচল করতে দেখা যায় নি। নিয়ম মেনে চলেছে অফিস অদালত। সকাল দশটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা চলেছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে ছিল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের শক্তিশালী টিম। লকডাউনে জরুরি সেবা কার্যক্রমে কোন ব্যাঘাত ঘটেনি। দুপুর নাগাদ কিছু দোকান খোলা দেখা গেলে সেখানে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ। এ সময় ব্যবসায়ীরা সরকারের ঘোষণা মতে দোকানপাট বন্ধ রাখবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •