বার্তা পরিবেশক:
হত্যার চেষ্টা, হামলার শিকার এবং বসতবাড়ি ভাংচুর ও আগুনে পোড়ানোর পরও উল্টো মিথ্যা মামলার দায়েরের ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে মহেশখালী পৌরসভার তরুণ কাউন্সিলর মিসকার সিকদারের পরিবার। নির্মম হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বাড়ি ধ্বংস করার পরও উল্টো মিথ্যা দায়ের করার প্রতিকার চেয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

শনিবার বিকালে কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন কাউন্সিলর মিসকাত সিকদারের ভাবি নির্যাতনের শিকার আরেফা খানম।

আরেফা খানম জানান, জমি সংক্রান্ত কারণে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়ার সাথে মিসকাত সিকদার ও তার পরিবারের বিরোধ চলছে। এই কারণে মিসকাত সিকদারকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তার অংশ হিসেবে গত ২৮ মার্চ সমর্থকদের সাথে নির্বাচনী আলাপ করাকালে মিসকাত সিকদারের উপর সশস্ত্র হামলা চালায় মেয়র মকছুদ মিয়ার লোকজন।

আরেফা খামন দাবি করেন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র মকছুদ মিয়ার ছোটভাই আতাউল্লাহ বোখারী, ভাগিনা মামুন, মোরশেদ, মকছুদ মিয়ার ছেলে নিশান ও সেহজাদ, আবরার এবং ফুফাতো ভাই শামসুদ্দীন, কায়সার, শাহনেওয়াজ, নুর হোসেনসহ প্রায় ২৫/৩০ জন সশস্ত্র লোক মিসকাতের উপর হামলা চালায়। এসময় অস্ত্রধারী হামলাকারীরা লম্বা বন্দুক দিয়ে অদূর থেকে মিসকাতকে উদ্দেশ্যে করে গুলি বর্ষণ করে। এতে মাথার পেছনে, ঘাড়ে ছররা গুলি বিদ্ধ হয়ে মারাত্মক জখম হয় তার। এভাবে তিনধাপে গুলি করে মিসকাতকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

ভাবি আরেফা খামন জানান, হামলার খবর পেয়ে মিসকাতকে রক্ষা করতে এগিয়ে যায় ভাবি আরেফা খানম, ভাই নওশাদ সিকদার মানিক ও মিজবাহ। তারা এগিয়ে গেলে তাদের উপর হামলে পড়ে হামলাকারীরা। বন্দুকের বাট দিয়ে মারধরসহ বিভিন্নভাবে তাদেরও আঘাত করা হয়। এতে তারা সবাই আহত হন। তবে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে সরে যায় হামলাকারীরা। এরপর মুমূর্ষু মিসকাতকে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে হামলাকারীদের আরেকটি দল। তাই পুনরায় গুপ্ত হামলার ভয়ে জীবনের নিরাপত্তাহীনতার সক্সকায় মুমূর্ষু মিসকাতকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

মিসকাতের উপর হামলা করেও ক্ষান্ত হয়নি হামলাকারীরা জানান আরেফা খানম। প্রথম হামলার দেড় ঘন্টা পর আবার মিসকাতের বাড়িতে হামলা চালায় হামলাকারীরা। এসময় মিসকাতের বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং উঠোনে থাকা মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাড়িতে থাকা আরেফা বেগম ও শিশু কন্যাকে ভেতরে আটকে রেখে বাড়ির ফটক তালাবদ্ধ করে দেয় এবং বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেখানে বন্দি অবস্থায় তিনদিন আটকা থাকে আরেফা খানম ও তার শিশুকন্যা। তিনদিন পর পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

মেয়র মকছুদ মিয়ার নির্দেশে তার আজ্ঞাবহ লোকজন জনপ্রিয় কাউন্সিলর মিসকাতসহ আমাদের পরিবারের উপর নিষ্ঠুর, নির্মম, জঘন্য ও মধ্যযুগীয় কায়দায় আঘাত করেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা হলো, উল্টো মকছুদ মিয়াকে হামলার করার মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মিসকাত ও তার দুই ভাইসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মহেশখালী পৌরসভার সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আমাদের প্রশ্ন- মেয়র মকছুদ মিয়ার মতো একজন অতিশয় প্রভাবশালী ব্যক্তিকে মিসকাত ও তার ভাইদের মতো নগন্য লোকজন কিভাবে হামলা করতে পারে? এটা কী কেউ বিশ^াস করতে পারেন? আমাদের ধারণা মতে, এই কথা পাগল ছাড়া কেউ বিশ^াস করবে না। কিন্তু এমন অতিশয় অবিশ^াস্য ঘটনাকে রহস্যজনকভাবে বিশ^াসযোগ্য বানিয়ে মিসকাত ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরেফা খানম অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার লোকজন আমাদেরকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। বাড়ি গেলে আবারো আমাদের ক্ষতি করবে বলে হুমকি প্রদান করছে। এমনকি তারা আমাদের বাড়িতে পাহারা বসিয়েছে। একারণে আমাদের পরিবারের সব সদস্য বর্তমানে ঘরছাড়া হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছি। বর্তমানে আমরা এক কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছি। আমরা পুলিশ প্রশাসনের সৃদৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের উপর নিষ্ঠুর হামলার সুষ্ঠু প্রতিকার ও আইনী সহযোগিতা কামনা করছি।

বি ্নআছেজস্ব প্রতিবেদক:
হত্যার চেষ্টা, হামলার শিকার এবং বসতবাড়ি ভাংচুর ও আগুনে পোড়ানোর পরও উল্টো মিথ্যা মামলার দায়েরের ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে মহেশখালী পৌরসভার তরুণ কাউন্সিলর মিসকার সিকদারের পরিবার। নির্মম হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বাড়ি ধ্বংস করার পরও উল্টো মিথ্যা দায়ের করার প্রতিকার চেয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

শনিবার বিকালে কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন কাউন্সিলর মিসকাত সিকদারের ভাবি নির্যাতনের শিকার আরেফা খানম।

আরেফা খানম জানান, জমি সংক্রান্ত কারণে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়ার সাথে মিসকাত সিকদার ও তার পরিবারের বিরোধ চলছে। এই কারণে মিসকাত সিকদারকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তার অংশ হিসেবে গত ২৮ মার্চ সমর্থকদের সাথে নির্বাচনী আলাপ করাকালে মিসকাত সিকদারের উপর সশস্ত্র হামলা চালায় মেয়র মকছুদ মিয়ার লোকজন।

আরেফা খামন দাবি করেন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র মকছুদ মিয়ার ছোটভাই আতাউল্লাহ বোখারী, ভাগিনা মামুন, মোরশেদ, মকছুদ মিয়ার ছেলে নিশান ও সেহজাদ, আবরার এবং ফুফাতো ভাই শামসুদ্দীন, কায়সার, শাহনেওয়াজ, নুর হোসেনসহ প্রায় ২৫/৩০ জন সশস্ত্র লোক মিসকাতের উপর হামলা চালায়। এসময় অস্ত্রধারী হামলাকারীরা লম্বা বন্দুক দিয়ে অদূর থেকে মিসকাতকে উদ্দেশ্যে করে গুলি বর্ষণ করে। এতে মাথার পেছনে, ঘাড়ে ছররা গুলি বিদ্ধ হয়ে মারাত্মক জখম হয় তার। এভাবে তিনধাপে গুলি করে মিসকাতকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

ভাবি আরেফা খামন জানান, হামলার খবর পেয়ে মিসকাতকে রক্ষা করতে এগিয়ে যায় ভাবি আরেফা খানম, ভাই নওশাদ সিকদার মানিক ও মিজবাহ। তারা এগিয়ে গেলে তাদের উপর হামলে পড়ে হামলাকারীরা। বন্দুকের বাট দিয়ে মারধরসহ বিভিন্নভাবে তাদেরও আঘাত করা হয়। এতে তারা সবাই আহত হন। তবে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে সরে যায় হামলাকারীরা। এরপর মুমূর্ষু মিসকাতকে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে হামলাকারীদের আরেকটি দল। তাই পুনরায় গুপ্ত হামলার ভয়ে জীবনের নিরাপত্তাহীনতার সক্সকায় মুমূর্ষু মিসকাতকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

মিসকাতের উপর হামলা করেও ক্ষান্ত হয়নি হামলাকারীরা জানান আরেফা খানম। প্রথম হামলার দেড় ঘন্টা পর আবার মিসকাতের বাড়িতে হামলা চালায় হামলাকারীরা। এসময় মিসকাতের বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং উঠোনে থাকা মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাড়িতে থাকা আরেফা বেগম ও শিশু কন্যাকে ভেতরে আটকে রেখে বাড়ির ফটক তালাবদ্ধ করে দেয় এবং বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেখানে বন্দি অবস্থায় তিনদিন আটকা থাকে আরেফা খানম ও তার শিশুকন্যা। তিনদিন পর পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

মেয়র মকছুদ মিয়ার নির্দেশে তার আজ্ঞাবহ লোকজন জনপ্রিয় কাউন্সিলর মিসকাতসহ আমাদের পরিবারের উপর নিষ্ঠুর, নির্মম, জঘন্য ও মধ্যযুগীয় কায়দায় আঘাত করেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা হলো, উল্টো মকছুদ মিয়াকে হামলার করার মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মিসকাত ও তার দুই ভাইসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মহেশখালী পৌরসভার সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আমাদের প্রশ্ন- মেয়র মকছুদ মিয়ার মতো একজন অতিশয় প্রভাবশালী ব্যক্তিকে মিসকাত ও তার ভাইদের মতো নগন্য লোকজন কিভাবে হামলা করতে পারে? এটা কী কেউ বিশ^াস করতে পারেন? আমাদের ধারণা মতে, এই কথা পাগল ছাড়া কেউ বিশ^াস করবে না। কিন্তু এমন অতিশয় অবিশ^াস্য ঘটনাকে রহস্যজনকভাবে বিশ^াসযোগ্য বানিয়ে মিসকাত ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরেফা খানম অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার লোকজন আমাদেরকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। বাড়ি গেলে আবারো আমাদের ক্ষতি করবে বলে হুমকি প্রদান করছে। এমনকি তারা আমাদের বাড়িতে পাহারা বসিয়েছে। একারণে আমাদের পরিবারের সব সদস্য বর্তমানে ঘরছাড়া হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছি। বর্তমানে আমরা এক কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছি। আমরা পুলিশ প্রশাসনের সৃদৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের উপর নিষ্ঠুর হামলার সুষ্ঠু প্রতিকার ও আইনী সহযোগিতা কামনা করছি।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •