সংবাদদাতা:

২৯ মার্চ ছিলো মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি এবং কক্সবাজার জেলার মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ মো. শরীফ চেয়ারম্যানের পুত্র ওসমান গণি চেয়ারম্যান হত্যার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী ।
৯ম মৃত্যু বার্ষিকীতে খতমে কোরআন, মিলাত মাহফিলও ইছালে সওয়াব মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বল্প পরিসরে পিতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে কালারমারছড়ার জনপ্রিয় চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ।
এই উপলক্ষ্যে ক্ষুদ্র পরিসরে মেজবানের আয়োজন করা হয়। উক্ত মেজবান অনুষ্ঠানে অংশ নেন
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহেশখালী সার্কেল মোঃ জাহেদুল ইসলাস ও মহেশখালী থানার ওসি মোঃ আব্দুল হাই। মহেশখালী থানার ওসি মোঃ আব্দুল হাই সহ-পরিবারে চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফের বাড়ীতে দাওয়াতে অংশ গ্রহন করেছেন। কালারমারছড়ার জনপ্রিয় তরুণ চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফের সামাজিক দাওয়াতে আসায়
মহেশখালী এএসপি মহেশখালী সার্কেল মোঃ জাহেদুল ইসলাস ও মহেশখালী থানার ওসি মোঃ আব্দুল হাইকে পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তারেক চেয়ারম্যানের সামাজিক দাওয়াতে আরো অংশ গ্রহন করেন কালারমারছড়া সরকারী হাসপালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ইসমত আরা,কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা, কর্মচারী, আলেম সমাজ,শিক্ষক সমাজ,রাজনৈতিক ব্যক্তি,কৃষক,শ্রমিকও বিভিন্ন পেশার মানুষ।

২০১২ সালে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা নিজ অফিসে ওসমান গণি চেয়ারম্যানককে কুপিয়ে ও গুলি করে নির্মমভাবে তাঁকে হত্যা করেন। এই হত্যার ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। এমনকি দলের কেন্দ্র পর্যায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

মহেশখালীর সাধারণ লোকজনের ভাষ্য,ওসমান চেয়ারম্যান সাধারণ মানুষকে অনেক ভালোবাসতেন। বিশেষ করে দক্ষিণ মহেশখালী নেতাদের অবহেলা ও নির্যাতনের বিষয়ে তিনি একমাত্র সরাসরি প্রতিবাদ করতেন। তাই পরিকল্পনা করে তাকে হত্যা করা হয়।

শহীদ ওসমান চেয়ারম্যানের কনিষ্ঠ পুত্র কালারমারছড়ার ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান তারেক শরীফ বলেন, আমার বাবা একজন ত্যাগী ও জনদরদি নেতা ছিলেন। তিনি অন্যায় ও সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে সব সময় সোচ্চার ছিলেন। এতে সুবিধা করতে না পেরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতা যোগসাজস করে আমার বাবাকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করেছে । গত ২৯ মার্চ আমার পিতার ৯ম মৃত্যু বার্ষিকীতে খতমে কোরআন, মিলাত মাহফিলও ইছালে সওয়াব মাহফিলের আয়োজন করেছি। প্রতি বছর আমার বাবার মৃত্যু বার্ষিকীতে সাধারণ ৫০/৬০ হাজার মানুষের জন্য মেজবানের আয়োজন করে থাকি। কিন্তু এ বার বিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে ২ এপ্রিল সীমিত পরিসরে সামাজিক ভাবে দাওয়াতে আয়োজন করেছি। সকলে আমার মরহুম পিতা শহীদ ওসমান চেয়ারম্যানের জন্য দোয়া করবেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •