বার্তা পরিবেশক :

হেফাজতে ইসলামের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচী রুখে দিতে গতকাল রবিবার সারাদিন মাঠে ছিলেন কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলমের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তারা বিভিন্নস্থানে হরতালের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকায় সারাদিন কোথাও মাঠে নামতে পারেনি হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। এতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার প্রায় ৩৯ কিলোমিটার সড়কে যানবাহন চলাচল ছিল একেবারেই স্বাভাবিক। হরতালের কোন রেশ পড়েনি এই উপজেলায়।
কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলমের নেতৃত্বে দলের উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা হরতাল কর্মসূচী ঠেকাতে দিনভর মাঠে ছিলেন।
সরজমিন দেখা গেছে, রবিবার সকাল থেকেই দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে মাঠে নামেন এমপি জাফর আলম। এতে হেফাজতে ইসলামের কোন নেতাকর্মীকে কোথাও কর্মসূচী সফল করতে মাঠে তৎপর দেখা যায়নি। গণপরিবহন ও এবং স্থানীয় যানবাহনসহ সবকিছুই স্বাভাবিকভাবেই চলেছে এখানে। অফিস, আদালতসহ সরকারি-বেসরকারী দপ্তরগুলোতেও ছিল স্বাভাবিক কার্যক্রম। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে হেফাজতের কর্মসূচী ঠেকাতে সকালে পৌরশহরের সিস্টেম চকরিয়া কমপ্লেক্সের ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ কর্নারের’ সামনে জরুরী বৈঠকও করেন এমপি জাফর আলম।
হেফাজতের ধ্বংসাত্মক কর্মসূচী ঠেকাতে দিনভর মাঠে থাকা কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের ইন্ধনে হেফাজত ইসমালের নেতাকর্মীরা যাতে চকরিয়ার কোথাও ধ্বংসাত্মক কর্মসূচী নিয়ে মাঠে নামতে না পারে সেজন্য তৎপর ছিলাম। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে মূলত সহযোগীতা দিতেই দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে হেফাজতের কর্মসূচী এখানে পণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। আগামীতেও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোন গোষ্ঠিকে এখানে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচী চালাতে দেওয়া হবে না।’
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচীর কোন রেশ পড়েনি এখানে। ভোর থেকেই পুলিশের অসংখ্য টিম মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টহল ব্যবস্থা জোরদার করে। এতে সারাদিন হেফাজতের কোন নেতাকর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •