প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
‘মুজিব চিরন্তন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকার । অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বিভিন্নদেশের প্রধানমন্ত্রীরা ঢাকায় আসেন।

ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোর্তিময়- প্রতিপাদ্যে উদ্বোধনী অধিবেশনে দেশি-বিদেশি কয়েকজন রাষ্ট্র এবং সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহান নেতৃত্বের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বর্তমান বাংলাদেশের অথনৈতিকসহ সামগ্রিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সরকারের এই সফলতা এবং বিভিন্নদেশের ভূয়সী প্রশংসাকে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি মেনে নিতে পারে নি।

তাই গতকাল (২৬শে মার্চ) থেকে সারাদেশ ব্যাপী সৃষ্টি করা হয় এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির। কিছু মিথ্যাচার এর মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।

এরই প্রতিবাদে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ আজ (২৭শে মার্চ) বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করে।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম.সাদ্দাম হোসেন বলেন,

এই নৈরাজ্য ভিন্ন মোড়কে জামাত-বিএনপির স্বাধীনতা বিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের প্রতিটা নেতা কর্মী এই ষড়যন্ত্রের কঠিন জবাব দিতে প্রস্তুত আছে সব সময়।

সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান বলেন,

কক্সবাজার জেলার প্রতিটা শহর, গ্রাম মহল্লায় নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী অপশক্তির বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ বিশ্ব দরবারে যে প্রশংসা অর্জন করেছে সেই প্রশংসা ধরে রাখতে আমাদের সকলকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •