অনলাইন ডেস্ক: পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ শনিবার (২৭ মার্চ) দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ থেকে ঘোষণা করা হয়, আগামীকালের (রোববার) কর্মসূচি হরতালে যদি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় তাহলে আরো কঠোর এবং লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার (২৬ মার্চ) জুমার নামাজের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের নিজেদের কর্মী দাবি করে আজ শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ ও আগামীকাল রোববার হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

এদিকে বিক্ষোভ এবং হরতালের মতো কর্মসূচির ঘোষণায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল রাত থেকেই সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে বাহিনীটির মুখপাত্র লে. কর্নেল ফয়জুর রহমান বলেন, বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথিরা সফরে রয়েছেন। এ অবস্থায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হতে দেওয়া যাবে না।

রাজধানীর পুরানা পল্টনে গতকাল শুক্রবার রাতে হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করে হেফাজত। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আবদুর রব ইউসুফী এমন ঘোষণা দেন।

হেফাজত সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে সংগঠনের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। তার আলোকেই হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। আবদুর রব ইউসুফী বলেন, হেফাজতে ইসলামের আমীর জুনায়েদ বাবুনগরীর পক্ষে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করছেন।

এই নেতা আরো বলেন, ঢাকার বায়তুল মোকাররম, চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদী মুসল্লিদের ওপর হামলা চালিয়েছে পুলিশ ও সরকারদলীয় ক্যাডার বাহিনী। এতে পাঁচ জন ‘শহীদ’ হয়েছেন। এ ছাড়া হামলা চালিয়ে অসংখ্য মুসল্লিকে আহত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •