শফিক আজাদ,উখিয়া:

উখিয়া উপজেলার ৩নং হলদিয়া পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী তরুণ যুবনেতা ইমরুল কায়েস চৌধুরীর নেতৃত্বে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব ও এক বিশাল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকাল ৩টায় দিকে হলদিয়া পালং ইউনিয়নের বউ বাজার এলাকায় এই সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষাবিদ তুষার বড়ুয়া।

সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে উখিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক চৌধুরী বলেন, হলদিয়া পালং ইউনিয়ন মুসলিম,হিন্দু,বৌদ্ধ, খৃস্টানসহ চার সম্প্রদায়ের বসবাস৷ এই ইউনিয়নে অতিথেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। ১৯৭১ সাল থেকে আমার পিতা, আমি এবং আমার ভাই কামাল উদ্দিন মিন্টু যেভাবে আপনাদের সেবা এবং নিরাপত্তা দিয়ে গেছে ঠিক তেমনি ভাবে আমার ছেলে ইমরুল কায়েস চৌধুরীও সেবা করে যাবেন। তাকে আজকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম। আজ থেকে আপনাদের সন্তান, আপনাদের ভাই, আপনাদের ছেলে হেসেবে দেখবেন।

বিশেষ বক্তার বক্তব্যে হলদিয়া পালং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মিন্টু বলেন, আমি আপনাদের দীর্ঘ সময় সেবা করে গেছি, আমাদের বয়স হয়েছে তাই ইমরুল কায়েস চৌধুরীকে এবার পারিবারিক ভাবে প্রার্থী করেছি।

তিনি বলেন, আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে গোপালগঞ্জ খ্যাত ৯৯% নৌকা ভোটার এলাকা হিসেবে তাদের নিরাপত্তা এবং সেবা করার জন্য ইমরুল কায়েস চৌধুরীকে নৌকা প্রতীক দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি। তখন হলদিয়া পালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ইসলাম মেম্বার এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজল একাত্বতা পোষণ করে কেন্দ্র বরাবরে সুপারিশ পাঠানো হবে বলে সভায় ঘোষণা দেন।

সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন ও আলোচনা সভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে হলদিয়া পালং থেকে নৌকা প্রত্যাশি তরুণ যুবনেতা ইমরুল কায়েস চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হলেও উখিয়ার তিন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পায়নি। হলদিয়া পালং এর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে এই তিন মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রীয় কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেনা।

ইমরুল কায়েস চৌধুরী সভায় উপস্থিত জনসাধারণের লক্ষ্য করে আরো বলেন, আমি পরিবার যুগে যুগে আপনাদের সেবা করে গেছেন এবং বাড়ীঘরে নিরাপত্তা দিয়ে গেছেন আমিও সেই মনমানসিকতা নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি। আপনারা যদি মনে করেন একজন যোগ্য পাহারাদার দরকার তাহলে আমাকে গ্রহণ করে নিতে পারেন, আমি বৃহত্তর সংখ্যলঘু সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি রক্ষার জন্য আমৃত্যু পাহারাদার হিসেবে থাকবো। তখন হাজার-হাজার নারী, পুরুষ তার কথায় সাড়া দিয়ে হাত তুলে গ্রহণ করে নেন।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ইমাম হোসেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি সদস্য স্বপন শর্মা রনি, হলদিয়া পালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ ইসলাম, সাধারন সম্পাদক ফজলুল করিম সহ স্থানীয় গন্যমান্য নেতৃবৃন্দ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •