এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও:
দেশব্যাপী চলছেই করোনা প্রতিরোধক টিকা প্রদান কর্মসূচী। কক্সবাজারে এই টিকা নিতে বৃহত্তর ঈদগাঁওর মানুষকে যেতে হয় ৩৩ কিলো মিটার দুরের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে। এতে যাতায়াতসহ নানান ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বৃহত্তর এলাকার ৫ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের সুবিধার্থে ঈদগাঁওতে করোনা টিকা কেন্দ্র স্থাপনের দাবী উঠেছে।

মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ, ঈদগাঁওর সচিব নূরুল ইসলাম জানান, সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে টিকা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। ঈদগাঁওতে একটি টিকাদান কেন্দ্র স্থাপিত হলে শিক্ষকসহ সকল পেশা জীবি মানুষের টিকা নেয়ার কাজটি সহজ হবে। এলাকায় বৃদ্ধি পাবে টিকা গ্রহণে সচেতনতাও।

পোকখালী যুবলীগ সাধারন সম্পাদক অহিদুর রহমান ইত্তেহাদ জানান, এলাকার বয়োবৃদ্ধদের কে দুরের কেন্দ্রে টিকা দিতে নিতে যাওয়া কষ্ট সাধ্য। জালালাবাদ উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা টিকা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হলে বৃহত্তর ঈদগাঁও তে অন্যান্যদের পাশাপাশি বয়োবৃদ্ধরাও সহজে টিকা নিতে পারতো।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আনোয়ারুল আজম খোকন জানান, এলাকাতে করোনা টিকা কেন্দ্র স্থাপন করলে কক্সবাজারে যাতাযাতকালে সময় ও অর্থের অপচয় থেকে মুক্তি পাবে বৃহত্তর ঈদগাঁওবাসী। যার ফলে এখানকার মানুষজন আগ্রহতার সাথে টিকা গ্রহন করতে পারবেই।

মানবিক সংগঠন ‘বৃহত্তর ঈদগাঁও পথশিশু ব্লাড এসোসিয়েশন’র এডমিন ইমরান তাওহীদ রানা জানান,ঈদগাঁওতে টিকা গ্রহণ বিষয়ক ক্যাম্পে ইনসহ ‘জনগণের দোরগোড়ায় সেবা, সেবা কার্য ক্রম অংশ হিসেবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন যোক্তিক দাবী।

ভিলেজ ডক্টরস ফোরামের সহ সভাপতি আবদু সালাম জানান, বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার পাঁচ ইউনিয়নবাসীর কথা বিবেচনা করে করোনা টিকা স্থাপন করলে লোকজনের সহজ হত টিকা প্রদানে। এটি বাস্তবায়ন করা হউক।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •