এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :
চকরিয়ায় ডজনাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো.ফারুক প্রকাশ রেজাউল করিম (২৬)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নস্থ সিকদার পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সে বান্দরবান জেলার লামা পৌরসভার লাইনঝিরি এলাকার ওয়ারেছ আলীর পুত্র। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, মাদক, চুরি, বন মামলা, ছিনতাইসহ ডজনের অধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ সুত্রে জানাযায়, রেজাউল করিম উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নস্থ রামপুর কাজলী বাপের চর এলাকায় তার শ্বশুর বাড়িতে ভিন্ননামে থাকতো। সে বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করে ডাকাতিসহ নানা অপরাধ করে আসছিল। তার প্রকৃত নাম মো.করিম। তিনি বান্দরবান জেলার লামা পৌরসভার লাইনঝিরি এলাকার ওয়ারেছ আলীর পুত্র। সে এক এক সময় তার ভিন্ন নাম ব্যবহার করে ও ভূল পরিচয় দিয়ে চলাফেরা করতো। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার
পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নস্থ সিকদার পাড়া এলাকায় মুখোশ পরিহিত ৭/৮ ডাকাত একটি বাড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি তাদের শব্দ পেয়ে ঘিরে রাখেন। ওই সময় জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাত করিমকে স্থানীয় জনতা হাতে-নাতে আটক করে বেদড়ক পিঠিয়ে জখম করেন। পরে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়রা অবগত করলে থানার ওসি’র নির্দেশে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (এস আই) হাসান মাহমুদের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে গ্রেফতার করেন। ডাকাত করিমের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, বন মামলাসহ ডজন খানেক মামলা রয়েছে। আদালতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করার পর থেকে সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকা ছেড়ে পালাতক ছিল।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (এস আই) হাসান মাহমুদ বলেন, পূর্ব বড় ভেওলা সিকদার পাড়ায় স্থানীয় জনতা গভীর রাতে এক ডাকাত আটক করার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।
তিনি আরও বলেন, লামা থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম
তার বিরুদ্ধে লামা থানায় ৮টি মামলায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানা রয়েছে। বর্তমানে একটি ডাকাতি মামলা তদন্তনাধীন। এছাড়াও চকরিয়া থানায় তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরিসহ ৩টি মামলা রয়েছে। ধৃত আসামীকে আদালতের মধ্যে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •