মোঃ নেজাম উদ্দিন:

সারা বাংলাদেশে ৪৫৭১টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রথমে সরকার কোভিড ১৯ টিকাদান শুরু করেছে রামু উপজেলার গজনিয়া ইউনিয়নে।

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় দূর্গম এলাকা গর্জনীয়ায় রামু স্বাস্থ্য বিভাগ এর আয়োজনে ৪০ উর্ধ্ব বয়সীদের কোভিট-১৯ টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।

গত রবিবার (১৪ মার্চ) গর্জনিয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮০০ জনকে কোভিট ১৯ টিকা দেয়া হয়।

ভ্যাকসিন প্রদান ক্যাম্প উদ্বোধন করেন রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নোবেল কুমার বড়ুয়া ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ সরওয়ার উদ্দিন।

তাঁদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান, গর্জনিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাঃ রিপন চৌধুরী, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিঃ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা উচাপ্রু মারমা, এস এমও ডাঃ সুরাইয়া খানম, এম আই এস কর্মকর্তা উচাইমংসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন গর্জনীয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আলম জানান, আমাদের বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম , ও আমাদেও সাংসদ আলহাজ¦ সাইমুম সরওয়ার কমলএর আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা এখ নপর্যন্ত ইউনিয়নের ৮শত মানুষকে কোভিড ১৯ টিকাদানে সক্ষম হয়েছ্। রেজিষ্ট্রেশন চলমান রয়েছে সাধারণ মানুষের উৎসাহ রয়েছে টিকা নিতে।

রামু স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নোবেল বডুয়া জানান, আমরা গর্জনিয়ার মানুষের আগ্রহের কারনে এই ইউনিয়নে গিয়ে কোভিড ১৯ টিকা দিয়েছি গত ১৪ মার্চ ্ আগামীকয়েকদিনে যদি রেজিষ্ট্রেশন সংখ্যা বাড়ে ও তাদের আগ্রহ দেখা যায় তবে আমারআবারো ক্যাম্প করে কোভিড ১৯ টিকা দিব।

রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা জানান, সত্যি প্রশংসার দাবি রাখে বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম। তার প্রচেষ্টার কারনে গত ১৪ মার্চ প্রায় ৮শত মানুষ কোভিড ১৯ টিকা দিতে পেরেছে।

এদিকে গর্জনিয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান,

গারা দেশের মধ্যে প্রথম আমার ইউনিয়নের মানুষ নিজ এলাকায় কোভিড ১৯ টিকা দিতে পেরেছে। এই দূর্গম এলাকায় টিকাদান কর্মসূচীর ব্যবস্থা ও সফল করায় রামু স্বাস্থ্য বিভাগ, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় সাংবাদিকসহ এলাকাবাসীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •