প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নে রামকোট মন্দির এলাকায় যেখানে সমস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশান,গত একবছর ব্যাপী শর্মা সম্প্রদায়ের গুটিকয়েক ব্যক্তি উক্ত শ্মশান এলাকাকে ব্যক্তিগত খাতে ব্যবহার করবার লক্ষ্যে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বন্দোবস্তি দরখাস্ত করেন। এবং বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ নিয়ে উক্ত শত বছরের হিন্দু সম্প্রদায়ের সার্বজনীন শ্মশানখানা প্রাচীর স্হাপন করেন। প্রাচীর ও বন্দোবস্তি আবেদনের পর থেকে এই সংঘবদ্ধ চক্র উক্ত সার্বজনীন মহাশ্মশান কে শুধুমাত্র শর্মা সম্প্রদায়ের শ্মশান হিসাবে দাবী করে আসছে।এবং উক্ত শ্মশানে হিন্দুর সতের সম্প্রদায়ের সাধারণ মহিলারা মুঠোচাল সংগ্রহ করে গত তিনবছর আগে একটি কালিমন্দির তৈরী করে প্রতি সপ্তাহে অসহায় মানুষকে অন্ন প্রাসনের ব্যবস্হা করেছে।অথচ গুটিকয়েক দূর্বৃত্ত ধর্ম ব্যবসায়ী সেই কালিমন্দির দখল করেছে।যেখানে পূজো দিতে কেউ যেতে পারছেনা। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্হানীয় হিন্দু সকল সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ রামু শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সমাবেশ করে দাবী করে শ্মশান উম্মুক্ত করতে।
স্হানীয় জনগনের দাবীতে আজ বিকেল চারটায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কক্সবাজার জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী সার্বজনীন মহাশ্মশানের দাবীর সভায় প্রধানঅতিথি হিসাবে অংশ নেন।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন,ধর্মনিরপেক্ষতা সংবিধানের একটি অন্যতম শর্ত। যারা শ্মশানকে ব্যক্তিখাতে ব্যবহার অথবা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার করতে চায় তারা ভুল করছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব বিরোধে রাজনৈতিক কঠোর নজরদারি রাখতে বলেছেন।যেখানে সকল সম্প্রদায়ের অধিকার বাস্তবায়ন হবে।এই শ্মশান শতবছরের ঐতিহাসিক অঞ্চল রামকোটের স্মৃতি পরিবেষ্টিত। উক্ত শ্মশান অবিলম্বেই সার্বজনীন মহাশ্মশান হিসাবে নিগৃহীতরা উম্মুক্ত ভোগ করবে।তিনি স্হানীয় কুচক্র বাদ দিয়ে আঠারো স্হানীয় হিন্দু সম্প্রদায়কে এক ছাতায় আসার আহবান করেন।অন্যথায় কঠোর আইনানুগ ব্যবস্হা নেয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেন
এবং অবিলম্বে বন্দোবস্তি ব্যবস্হা থেকে যেন তারা ফিরে আসে ও কালিমন্দির  খুলে দেওয়ার  আহবান জানান।
তিনি নিরাপত্তা প্রদানের জন্য রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও গোয়েন্দা সংস্থা কে ধন্যবাদ জানান।স্হানীয় জনগন সহ নাজনীন সরওয়ার কাবেরী কালি মন্দির পরিদর্শনের সময় শনিবার বিকেলে রামু থানা পুলিশ বাহিনী ব্যাপক সংখ্যক লাঠিসোঁটা উদ্ধার করেন।
উল্লেখ্য যে, এসকল উত্তপ্ত পরিস্হিতি তে আগামী পরশু সকাল দশটায় রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছেন।যেখানে এই দ্বন্দের একটি ফায়সালা হবে বলে আশা করা যায়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •