প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে জাগদল থেকে বিএনপিতে আসা চট্টগ্রাম জাগদল তথা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বৃহত্তর চট্টলার গণমানুষের নেতা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও দানবির মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ নূর মোহাম্মদ সওদাগর এর ৩১ তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ ই মার্চ ২০১২১ ইং। ১৯৩৮ সালে জন্মগ্রহণকারী এই রাজনীতিবিদ ১৯৯০ সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পক্ষে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠনে নেতৃত্ব প্রদান করার মাধ্যমে শহীদ জিয়ার ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মান’ এর দর্শন এর সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। স্বৈরাচার এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের পর চট্টগ্রাম বিএনপিকে সাংগঠনিক কাঠামোতে দাঁড় করাতে গিয়ে সিমাহীন জীবন ঝুঁকি নিয়েছিলেন তিনি।পরিবার, ব্যাবসা বাণিজ্য সবকিছু বিসর্জন দিয়ে দলের হাল ধরেছিলেন নূর মোহাম্মদ সওদাগর। শুধুমাত্র বিএনপির রাজনীতি করার কারণে স্বৈরাচার এরশাদ তাঁকে অসংখ্য মামলা দিয়ে বারংবার জেল খাটিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী। নূর মোহাম্মদ সওদাগর বৃহত্তর চট্টগ্রামব্যাপী শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত কালজয়ী তৃণমূল কর্মসূচি ‘খাল খনন’ উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করে বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ তাঁর জন্মস্থান বৃহত্তর বাকলিয়ার অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ শিক্ষা বিস্তারে যুকান্তকারী অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। নূর মোহাম্মদ সওদাগর বরাবরই রাজনীতি সচেতন ছিলেন, ফলে রাষ্ট্র সৃষ্টির শুরুর দিকে ৭০’ এর ঐতিহাসিক নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে নৌকার প্রার্থী জননেতা জহুর আহমদ চৌধুরীকে বিজয়ী করার জন্য ব্যাপক গণসংযোগে নূর মোহাম্মদ সওদাগর নিজেকে নিবেদন করেন। পরবর্তী সময়ে ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে স্থানীয় সংগঠক এর দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পাকিস্থানিদের পরাজিত করতে সহায়তা করেছিলেন। যুদ্ধে জোরালো ভূমিকা পালন করার কারণে তৎকালীন সময়ে তিনি বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন। পাক হানাদার বাহিনী চট্টগ্রাম নগরীর কে. সি. দে. রোডস্থ তার মালিকানাধীন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান কালের স্বাক্ষি ইসলামিয়া হোটেল ভবনটি পেট্রোল দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেয়।
তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে মরহুমের কবর জেয়ারত, কুরআন খতম, মিলাদ-মাহফিল, ইয়াতিম ও দুস্থতের মাঝে খাদ্য বিতরণ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •