ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন:
সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় বাজারে বহুতল ভবনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলা শহরেও অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। গেল সপ্তাহে সমুদ্রে মাছ শিকার করতে গিয়ে ইঞ্জিন /বয়লার বিস্ফোরণের সাতজন জেলে অগ্নিদগ্ধ হয়েছে।তারা এখনো চিকিৎসাধীন চারজনের অবস্থা আশংকাজনক।
প্রতিটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ে আমাদের জাতীয় অবহেলা, অব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতিহীনতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। অগ্নিনির্বাপণ অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার শেষ ধাপ। কোনো স্থাপনায় আগুন পূর্ণশক্তিতে বড় আকারে জ্বলে উঠলে সর্বোচ্চ মানের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায়ও সেখানে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের মৃত্যু ও আহত হওয়া এড়ানো দুরূহ হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের দ্বারা স্থাপনার পূর্ণাঙ্গ অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থার নকশা করা ও তা স্থাপন করা এবং সেটা নিয়মিত পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে সেই স্থাপনা ব্যবহারকারীদের জীবন ও সেখানকার সম্পদের অগ্নিনিরাপত্তা বিধান করা সম্ভব। নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে জনসাধারণ পর্যন্ত সবার এ বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করা অত্যন্ত প্রয়োজন। সুনির্দিষ্ট নজরদারির মাধ্যমে দেশের তৈরি পোশাক খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়াসে যে সুফল পাওয়া গেছে, অন্যান্য খাতেও সেটা সম্ভব।

যেকোনো ইমারতকে নিরাপদ করতে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা বা বিল্ডিং কোড অনুসরণের বিকল্প নেই। ভবনের মালিকেরা নিজ উদ্যোগে তা করবেন, এটা ভাবা বাতুলতা। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পেশাদারি আচরণ করতে হবে, কিন্তু তারা তা করে না। জবাবদিহির অভাবই এর কারণ।

কোনো ভবনকে পর্যাপ্ত অগ্নিপ্রতিরোধক করতে হলে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট ধাপ পালন করা অত্যাবশ্যকীয়। আগুন লাগার সম্ভাব্য কারণগুলো সম্পূর্ণভাবে দূর করাই অগ্নিনিরাপত্তা বিধানের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এটা প্রতিরোধ। কিন্তু প্রকৌশলগতভাবে সব কারণ দূর করা সম্ভব নয়, এক শ ভাগ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। তাই প্রতিরোধের সঙ্গে সঙ্গে সুরক্ষাব্যবস্থাও রাখতে হবে। এই দুইয়ের সমন্বয়েই তৈরি হয় একটি পূর্ণাঙ্গ অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা। ছোটখাটো কিছু অসম্পূর্ণতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের জাতীয় বিল্ডিং কোড অগ্নিনিরাপত্তার এই পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাই নির্দেশ করে। এই কোড অনুসরণ করে ভবনের অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থার পরিকল্পনা করা, সেটা স্থাপন করা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে সব ভবনকেই অগ্নিনিরাপদ করা কিংবা অগ্নিঝুঁকি গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সীমাবদ্ধ করে রাখা সম্ভব। ভালো মানের অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনার জন্য যথাযথ প্রকৌশলজ্ঞান ও কারিগরি প্রজ্ঞা প্রয়োজন।

অগ্নিপ্রতিরোধের জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে? আমরা জানি যে আগুনের জন্য তিনটি জিনিসের একসঙ্গে থাকার দরকার হয়—জ্বালানি, বাতাস বা অক্সিজেন ও তাপ। কিন্তু এই তিনটি জিনিস একত্র হলেও আগুন ধরবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না এই মিশ্রণে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি না হয় (ইগনিশন)। সুতরাং ভবনে অগ্নিপ্রতিরোধের উপায় হতে পারে তাপ উৎপাদনকারী ও উন্মুক্ত অগ্নিশিখা তৈরি করে এমন যন্ত্রপাতি সাবধানে রাখা; তাপ উৎপাদনকারী যন্ত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা; কোনো দাহ্য পদার্থ বা সূক্ষ্ম বস্তুকণা এই তাপের সংস্পর্শে না আসতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া। ভবনে যেন কোনোভাবে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ তৈরি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। অবাঞ্ছিত অগ্নিস্ফুলিঙ্গের একটা বড় উৎস ভবনের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার ত্রুটিপূর্ণ নকশা, স্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা। এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, বাংলাদেশে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ৭৫ শতাংশের সূচনা ঘটে বিদ্যুৎ থেকে।

এ দেশের ভবনগুলোতে ত্রুটিপূর্ণ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার মূল কারণ ভবনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুপরিকল্পনার গুরুত্ব না বোঝা এবং সেই কারণে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণে অপেশাদারি ও অদক্ষতা। ইমারত বিধিমালার নির্দেশনার অনুসরণে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের
দ্বারা ভবনের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার নকশা বা পরিকল্পনা, স্থাপন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে। তবে
যেহেতু অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাতের সব কারণ শতভাগ দূর করা সম্ভব নয়, সেহেতু আগুন লেগে গেলে তা থেকে মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষার ব্যবস্থাও নিতে হবে।

ভবনের অগ্নি-সুরক্ষাব্যবস্থাকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: সক্রিয় ব্যবস্থা (অ্যাকটিভ সিস্টেম) ও অসক্রিয় ব্যবস্থা (প্যাসিভ সিস্টেম)। সক্রিয় ব্যবস্থার একটি স্বয়ংক্রিয়, অন্যটি অস্বয়ংক্রিয় (ম্যানুয়াল)। ফায়ার ডিটেকশন সিস্টেম বা অগ্নিশনাক্তকরণ ব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয় ও ম্যানুয়াল উভয় কৌশল থাকে। পুরো অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থায় তাপ শনাক্তকরণ, ধোঁয়া শনাক্তকরণ ব্যবস্থা থাকতে হয়; এসব যন্ত্রের সাহায্যে অগ্নিকাণ্ডের একদম শুরুতেই তা শনাক্ত করে সতর্কসংকেত (অ্যালার্ম) দেওয়া, যেন ভবন ব্যবহারকারীরা অগ্নিকাণ্ডের শুরুতেই ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। সক্রিয় ব্যবস্থার মধ্যে আরও থাকতে পারে ফায়ার এক্সটিংগুইশার, স্প্রিঙ্কলার, হোস পাইপ সিস্টেম ইত্যাদি, এগুলোর সাহায্যে আগুন নেভানো হয়। স্প্রিঙ্কলার সিস্টেম হলো স্বয়ংক্রিয়, যা আপনা–আপনি চালু হয়ে আগুন নির্বাপণ বা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। অন্যগুলো ভবনের আগুন চিহ্নিত হওয়ার পরে অধিবাসী বা অন্য কারও স্ব-উদ্যোগী হয়ে এক্সটিংগুইশার বা হোস পাইপ ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণ বা নির্বাপণের ওপর নির্ভরশীল।

অসক্রিয় ব্যবস্থা হলো ভবনের এমন কিছু নির্মাণ বৈশিষ্ট্য, যা আগুনের বিস্তার রোধ করবে এবং ধোঁয়ার প্রভাবমুক্ত অবস্থায় বাসিন্দাদের নিরাপদ নির্গমন নিশ্চিত করবে। উল্লেখ্য, সারা পৃথিবীতেই অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশের মৃত্যু ঘটে ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে। বনানীর এফ আর টাওয়ারেও কেউই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাননি। ভবনের কোথাও আগুন লাগলে তা যাতে ছড়িয়ে না যায়, করিডর এবং অগ্নি-বহির্গমন পথ (ফায়ার করিডর এবং সিঁড়িপথ) যাতে ধোঁয়া ও আগুন থেকে মুক্ত থাকে, একটি নির্দিষ্ট মাত্রার অগ্নিকাণ্ডের পরেও যাতে ভবনটি কাঠামোগতভাবে অন্ততপক্ষে কয়েক ঘণ্টা টিকে থাকে ইত্যাদি নিশ্চিত করা হয় অসক্রিয় ব্যবস্থার দ্বারা। ওপরে উল্লিখিত দুটি ব্যবস্থার সমন্বয়ের মাধ্যমেই একটি কার্যকরী অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়।

সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থার দুটি অংশের কোনোটিই নিয়মমাফিক ছিল না। এতগুলো প্রাণ অকালে ঝরে যাওয়ার কারণ হিসেবে বহুতল ভবনগুলোর নকশায় জীবন-সুরক্ষার বিষয়টি পুরোপুরি উপেক্ষিত হয়েছে। এর জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দায়িত্বশীলতা ও সদিচ্ছার অভাবকে দায়ী করা যায়। অগ্নিশনাক্তকরণ ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত অগ্নিবহির্গমন পথ থাকলে মানুষ আগুন লাগামাত্রই সতর্কসংকেত পেত এবং ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে পারত। হয়তোবা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনাও সম্ভব হতো। অবশ্য দাহ্য পদার্থ বেশি থাকলে আগুন শনাক্তকরণের পরও ম্যানুয়ালি আগুন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না–ও হতে পারে। কারণ, আগুন নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছে গেলে মানুষের পক্ষে শুধু পানি বা নির্বাপণযন্ত্র দিয়ে আগুনের কাছাকাছি গিয়ে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয় না। ভবনগুলোতে স্প্রিঙ্কলার সিস্টেম থাকলে আগুন শনাক্তকরণের সঙ্গে সঙ্গে স্প্রিঙ্কলার স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যেত, তাতে আগুন হয়তো সম্পূর্ণ নিভে যেত অথবা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নির্দিষ্ট স্থানেই সীমাবদ্ধ থাকত। এ সময়ের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারত। সঠিকভাবে অসক্রিয় ব্যবস্থার নকশা করা হলে আগুন দ্রুত অন্যান্য তলায় ছড়াতে পারত না। আগুন বা ধোঁয়া সিঁড়িঘরেও ছড়াত না, ভবনের অধিবাসীদের নিরাপদ বহির্গমনের জন্য যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে দাহ্য পদার্থের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ভবনের অভ্যন্তরীণ সজ্জায় অতি দাহ্য উপকরণের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অগ্নিঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ভবনের আকার ও তা ব্যবহারের ধরন বিবেচনা করে অগ্নিনিরাপত্তা–ব্যবস্থার অন্তর্গত ওপরে উল্লিখিত অগ্নিপ্রতিরোধ ও অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থাসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন করেই একটি কার্যকরী অগ্নিনিরাপত্তা–ব্যবস্থার নকশা–পরিকল্পনা করতে হয়।

নতুন ভবনের ক্ষেত্রে সঠিক নকশা ও নির্মাণ পদ্ধতি অনুসরণ করলে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। কিন্তু ইতিমধ্যে যেসব ভবন নির্মিত হয়েছে, সেগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা যায়? এটা বর্তমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ইতিমধ্যে নির্মিত অধিকাংশ ভবনের কাঠামোগত পরিবর্তন জটিল ও ব্যয়বহুল, পারফরম্যান্স-বেইজড রেট্রোফিটিং করা যেতে পারে। আমাদের শহরগুলোতে বিশেষত সুউচ্চ ভবনের এলাকাগুলোতে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন এবং বিদ্যমান ভবনে পর্যাপ্ত পানির আধার বা ট্যাংক না থাকলে দু–একটি তলা ভেঙে ফেলে পানির আধার নির্মাণ করা যেতে পারে। বাস্তবসম্মত বিকল্প ব্যবস্থা না করা গেলে উপযুক্ত সফটওয়্যারের মাধ্যমে অধিবাসীদের বহির্গমনের গতিবিধি সিমুলেট করে ভবনের যত তলা পর্যন্ত মানুষের নিরাপদ বহির্গমন সম্ভব হবে, তত তলাই ব্যবহারের অনুমতি দিতে হবে। আগুন ও ধোঁয়া যাতে ছড়াতে না পারে এবং করিডর ও সিঁড়িঘরে যাতে আগুন ও ধোঁয়া ছড়াতে না পারে, সে জন্য পর্যাপ্ত ফায়ার সেপারেশন ও ধোঁয়া নির্গমনপথের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ভবনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত ফায়ার ড্যাম্পার ব্যবহার করতে হবে। সুউচ্চ ভবনের ক্ষেত্রে ফায়ার লিফট রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে। বহুতল ভবনগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনা ও নিয়মিত ফায়ার ড্রিল অনুশীলনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে রাজউক এবং ফায়ার সার্ভিস বিভাগ নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে ফায়ার সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। মোটকথা, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা মেনে চলতে হবে, ভবনগুলোকে নিরাপদ করতেই হবে।

আমাদের দেশে প্রকৌশল শিক্ষায় অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়টি এখনো পুরোপুরি উপেক্ষিত। এই বিশেষায়িত শাখায় স্থাপত্য, পুরকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল, যন্ত্রকৌশল ইত্যাদি বিষয়ের সমন্বিত পাঠ্যক্রমভিত্তিক একটি বহুশাস্ত্রীয় বিদ্যার প্রয়োজন হয়। এ দেশে প্রশিক্ষিত অগ্নিসুরক্ষা প্রকৌশলী (ফায়ার প্রটেকশন ইঞ্জিনিয়ার) নেই। বুয়েটে অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ে উপযুক্ত শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির জন্য ফায়ার প্রটেকশন অ্যান্ড সেফটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সময় এসেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার নকশা–পরিকল্পনা ও স্থাপনের কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোতে অগ্নিসুরক্ষা প্রকৌশলী পদ থাকাও বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।
আশার কথা হল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহন করেছেন এবং নানাবিধ আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা মানলে আমাদের অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা বাড়বে।

ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন
নার্স ও পুষ্টিবিদ, কক্সবাজার
ইমেইলঃ
syedahmedtanshiruddin@gmail.com

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •