cbn  

বার্তা পরিবেশক :

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বার বার ঘোষণা দেওয়ার পরেও তৃণমূলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইয়াবা কারবারির তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরাও নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকার জন্য দৌঁড়ঝাপ দিয়ে যাচ্ছেন বলেও এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

বিশেষ করে দেশের সর্বশেষ সীমান্তবর্তী এলাকা সাবরাং ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচনে এরকম সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌঁড়ঝাপে ঐতিহ্যবাহী দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। জানা গেছে, সাবরাং ইউনিয়নের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলটির মনোনীত প্রার্থী হতে উক্ত ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান তথা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন ও দলের ইউনিয়ন সভাপতি আবুল কালাম মরিয়া হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, উল্লিখিত ব্যক্তিদ্বয় গেল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকার বিরুদ্ধে ছিলেন সবচেয়ে বেশী সোচ্চার। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকধারি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন প্রয়াত এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী। অথচ উল্লিখিত ইউনিয়ন দলীয় নেতাদ্বয় দলীয় প্রতীকধারি প্রার্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর সরাসরি বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করেছিলেন বিদ্রোহী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নুরুল আলমের বিরুদ্ধে। তদুপরি দুইজনই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইয়াবা কারবারিদের তালিকায়ও তাদের নাম রয়েছে।

শাহপুরির দ্বীপ সাংগটনিক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগটনিক সম্পাদক ও ত্যাগি আওয়ামী পরিবারের সন্তান আবদুল হান্নান এ বিষয়ে বলেছেন-‘আমরা তৃণমূলে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগটন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। আমরা তৃণমুলের নেতৃত্বও চাই ত্যাগি নেতা কর্মীদের হাতে আসুক। দলের যেসব নেতা কর্মী দলীয় প্রতীকের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন এরকম নেতাদের হাতে আবারো বঙ্গবন্ধুর নৌকা তুলে দেওয়া হোক এটা একজন ত্যাগি কর্মীর কিছুতেই কামনা হতে পারে না।’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অনেক বড় দল। যে দলটির নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় পতাকা অর্জিত হয়েছে সেই দলটিতে ত্যাগি নেতা কর্মীরও অভাব নেই। একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকার মানুষের সেবা প্রদানের পাশাপাশি দল ও দলীয় প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার জন্য একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক ও ত্যাগি দলীয় নেতার হাতে দলীয় প্রতীক নৌকা তুলে দেওয়ার জন্য এলাকার তৃণমূল নেতাকর্মীরা জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •