প্রেস বিজ্ঞপ্তি : “বন্ধনে কক্সবাজার” ট্যাগলাইন দিয়ে সদস্যদের পারিবারিক মিলনমেলা ও পিকনিক আয়োজন করেছে ঢাকাস্থ কক্সবাজার জেলাবাসীদের সংগঠন কক্সবাজার সমিতি- ঢাকা।
গত শুক্রবার ঢাকার অদূরে বেরাইদস্থ ঠিকানা রিসোর্টে এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সমিতির সদস্য ও ঢাকাস্থ কক্সবাজারের বিশিষ্টজনেরা অংশ নিয়েছেন। সারাদিনব্যাপী এই আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‍্যাফেল ড্র, কার্নিভালসহ নানা আয়োজন ছিল।

পবিত্র কোরআন হতে তেলাওয়াতের পর বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন সভাপতি স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

কক্সবাজার সমিতির পক্ষ থেকে অভিনন্দন স্মারক প্রদান করা হয় সম্প্রতি পদোন্নতি প্রাপ্ত তিনজন বিশিষ্টজনকে । তন্মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ মনিরুল মাওলা , ব্রীগেডিয়ার জেনারেল মিজানুর রহমান। তারা প্রত্যেকেই কক্সবাজারের কৃতি সন্তান।

প্রসঙ্গত,১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত কক্সবাজার সমিতির ঢাকাস্থ কক্সবাজারবাসীদের সংগঠন। দু হাজার বিশ সালে কক্সবাজার সমিতি প্রায় পাঁচ হাজার ঢাকাস্থ কক্সবাজারবাসীর জন্য উৎসব ও মেজবান আয়োজন এছাড়া গত একবছরে কক্সবাজার সমিতি করোনা হেল্পডেস্ক করে বিভিন্নজনকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হাই ফ্লো অক্সিজেন থেরাপি মেশিন প্রদান, একিউট ডিফারেন্টশিয়েট লিউকেমিয়া নামক ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র সাউদ সোরাইন কে আর্থিক সহায়তা প্রদান সহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন।

সারাদিনব্যাপি এই আয়োজনে কক্সবাজার সমিতির নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতিবৃন্দ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ,বিভিন্ন সম্পাদক,সহ-সম্পাদকবৃন্দ, সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার সহিদুজ্জামান, এডভোকেট ফখরুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে হেলালুদ্দিন আহমেদ কক্সবাজার সমিতির বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পারস্পরিক সৌহার্দ্য কে আরো নিবীড় করার জন্য করণীয় সব উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

সকালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্ছালনা করেন প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাফিজুর রহমান ও এডভোকেট আনিস উল মাওয়া আরজু।

সারাদিনের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘদিন পর একত্রিত হয়েছেন। চলেছে আড্ডা-খুনসুটি , কুশলাদি বিনিময়। মহেশখালির মিষ্টি পান ও কক্সবাজারের নির্ভেজাল শ্যুটকি’র কার্নিভাল ও ছিল এই আয়োজনে।

বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পর বিখ্যাত মেজবানি ভোজ দিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •