আবদুল মালেক 

বিশ্বব্যাপী চলছে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মহোৎসব বছরের বিভিন্ন দিন নানা দিবসের ছলনায় যুব সমাজের চরিত্র হননের চেষ্টা করা হয় এর মাধ্যমে। সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বড় শিকার বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সমাজ। থার্টি ফার্স্ট নাইট, ভ্যালেন্টাইন’স ডে, এপ্রিল ফুল ইত্যাদি বিভিন্ন নামে বছরজুড়ে যে উত্সব পালন করা হয় তার প্রধান টার্গেট মুসলিম সমাজের যুবক-যুবতীরা। এসব উত্সবের মাধ্যমে অশ্লীলতা, নির্লজ্জতা, ধোঁকাবাজিসহ সত্ চরিত্রকে কলুষিত করার সব আয়োজন করা হয়ে থাকে। এসব অপসংস্কৃতি মূলত পশ্চিমা দেশ থেকে আমদানিকৃত।

ভ্যালেন্টাইন’স ডে বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবস সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিশ্বের প্রায় সব দেশেই কম-বেশি উদযাপন হচ্ছে। ইন্টারনেট, মুক্ত আকাশ সংস্কৃতি ও এদেশের কতিপয় মিডিয়ার কল্যাণে চরিত্র বিধ্বংসী এ দিবসটি বাংলাদেশে জোরেশোরে পালিত হয়। যারা এ দিবসটি পালন করছে তাদের অনেকেই ভ্যালেন্টাইনের ইতিকথা জানে না। এ দিবসটির গোড়ার কথা কোনো মুসলমান জানলে হয়তো এটি পালন করতেন না।

গবেষকদের তথ্যমতে জানা যায়, যিশু খ্রিস্টের জন্মের আগে চতুর্থ শতকে পৌত্তলিক, মূর্তিপূজারীদের সমাজে বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচলিত ছিল। তারা বিভিন্ন দেবতাকে পূজা করত। তাদের বিভিন্ন দেবতা ছিল। পশু-পাখির জন্য একটি দেবতাকে তারা কল্পনা করত। জমির উর্বরতার জন্য একটি দেবতাকে তারা বিশ্বাস করত। দেবতার নাম হচ্ছে ‘লুপারকালিয়া’। এই দেবতার সম্মানে তারা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করত। এই অনুষ্ঠানের একটি রীতি হচ্ছে, যুবতীদের নামে লটারি ইস্যু করা। লটারিতে যে যুবতী যে যুবকের ভাগে পড়ে আগামী বছর এ দিন আসা পর্যন্ত সে যুবতীকে ওই যুবক ভোগ করত। সে দিন দেবতার নামে পশু উত্সর্গ করা হতো। জবাইকৃত ছাগলের চামড়া তুলে যুবতীর গায়ের মধ্যে জড়িয়ে দেয়া হতো। তারপর ছাগলের রক্ত এবং কুকুরের রক্ত মাখা একটি চাবুক যুবকের হাতে দেয়া হতো। যুবক সে চাবুক দিয়ে চামড়া পরিহিতা যুবতীকে আঘাত করতো। তাদের ধারণা মতে, এ চাবুকের আঘাতের কারণে যুবতীটি সন্তান জন্ম দেয়ার উপযুক্ত হবে। আর এ অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হতো ১৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর খ্রিস্টধর্মের আগমন ঘটা। খ্রিস্টধর্ম ছিল আহলে কিতাবের ধর্ম। কাজেই এজাতীয় কুসংস্কারকে আসমানি ধর্ম হিসেবে খ্রিস্টান ধর্ম সমর্থন করতে পারে না। এজন্য তারা এ প্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করল। কিন্তু তারা প্রথাকে রোধ করতে পারল না। তখন তারা এ অনুষ্ঠানকে বিশুদ্ধ করার চেষ্টা করল। তারা স্থির করল, আগে এ অনুষ্ঠান হতো দেবতার নামে, এখন তা হবে পাদ্রির নামে। যুবতীর নামে লটারি বন্ধ করে দেয়া হলো। পাদ্রির নামে লটারির ব্যবস্থা করা হলো। এখন থেকে যে যুবকের ভাগে যে পাদ্রির নাম আসে সে যুবক পাদ্রির সংস্পর্শে এক বছর অতিবাহিত করবে, যাতে পাদ্রির কারণে যুবকের চরিত্র ভালো হয়। ৪৭৬ সালে পোপ জেলিয়াস বলেন, দিবসের নাম পরিবর্তন করা দরকার, যা আগে ছিল একজন দেবতার নামে তা এখন ‘ভ্যালেন্টাইন’ নামক একজন পাদ্রির নামে করা হোক। এরপর ৪৯৬ সালে এই দিবসের নাম রাখা হয় ভ্যালেন্টাইন’স ডে।

খ্রিস্টানদের ইতিহাসে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তির নাম ভ্যালেন্টাইন হিসেবে পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে একজন ভ্যালেন্টাইন সম্পর্কে যা জানা যায় তা হচ্ছে, এই ভ্যালেন্টাইন হলো সেই ভ্যালেন্টাইন যাকে রোমান রাজারা বন্দি করেছিল। তিনি বন্দি হওয়ার পর কারাগারের প্রধান রক্ষীর মেয়ের প্রেমে পড়ে যান। ওই মেয়ের সঙ্গে তিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করতেন। মৃত্যুর আগে যাজক তার প্রেমিকার কাছে একটি চিরকুট লিখে যান। সেজন্য এই যাজক খ্রিস্টান সমাজে প্রেমিকদের যাজক হিসেবে পরিচিতি পান। প্রেমিকদের যাজক ভ্যালেন্টাইন ১৪ ফেব্রুয়ারি মারা যাওয়ার পর অনুসারীরা তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা শুরু করে। তারা ওই দিনটিকে ভ্যালেন্টাইন দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। তবে আমেরিকার স্কুলগুলোয় ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে নোটিশ বোর্ডে যে তথ্য দেয়া হয় তা হচ্ছে—ভ্যালেন্টাইন একজন যাজক। তাকে রোমান সরকার গ্রেফতার করে যখন কারাগারে নেয় তখন তাকে বলা হয়, রোমান সরকারকে তোমার পূজা করতে হবে। তখন খ্রিস্টান যাজক ভ্যালেন্টাইন এ নির্দেশ মানতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি রোমান সরকারের কাছে মাথানত করতে পারি না। আমি যিশু খ্রিস্টের পিতা ও ঈশ্বরকে বিশ্বাস করব, তাকেই ভালোবাসব এবং তার কথাই মান্য করব। তারপর তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। একজন পাদ্রি তার খ্রিস্টীয় বিশ্বাসকে রক্ষা করার জন্য রাজার হাতে নিজপ্রাণ বিসর্জনের যে নজির স্থাপন করেন তাকে ধরে রাখার জন্য দিবসটির নামকরণ করা হয় ভ্যালেন্টাইন’স ডে। তখন থেকে এ দিবসকে উদযাপন করা হয়।

এ দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে লটারি ধরা। এ লটারি ধরা নিয়ে অতীতে অনেক দেশে দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেতে ১৭৭০ সালে ফ্রান্সে এ দিবসটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও এ দিবসটিকে নিষিদ্ধ করা হয়। ব্রিটেনেও এ দিবসটি নিষিদ্ধ হয়। তবে ১৭৯০ সালে আবার ব্রিটেনে এ দিবস চালু করা হয়। এরপর তা ধীরে ধীরে আমেরিকায় চলে যায়। বর্তমানে আমেরিকার মাধ্যমে সারাবিশ্বে এ অপসংস্কৃতিকে বাজারজাত করা হচ্ছে।

বস্তুতান্ত্রিক সমাজে সবকিছু দিয়েই বাণিজ্য করার চেষ্টা করা হয়। এতে কোনো নীতির ধার ধারা হয় না। পশ্চিমারা ভালোবাসা নিয়েও বাণিজ্য করেছে অনেক আগেই। সর্বপ্রথম ভ্যালেন্টাইন কার্ড বের করা হয় ১৮৪০ সালে। ব্যাপক প্রচারের কারণে প্রায় পাঁচ হাজার ডলারের কার্ড বিক্রি হয় ওই বছর। তখন থেকেই মার্কিন ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক ও পুঁজিবাদী চিন্তা নিয়ে এ দিবসটিকে সারাবিশ্বে ছড়ানোর চেষ্টা করেন। এ দিবসে বিভিন্ন ধরনের ভ্যালেন্টাইন কার্ড ও গোলাপ ফুল আসল মূল্যের তিনগুণ ও চারগুণ হারে বিক্রি হয়। আর এভাবেই চলে ভালোবাসা নিয়ে বাণিজ্য।

ভালোবাসা আল্লাহর দেয়া বড় দান। হাদিস শরিফ থেকে জানা যায়, আল্লাহতায়ালা মায়া-মমতাকে একশ’ ভাগ করে তার মধ্য থেকে মাত্র একভাগকে সমগ্র সৃষ্টিকুলের মাঝে ভাগ করে দেন আর বাকি নিরানব্বই ভাগ তাঁর কাছে রেখে দেন। জগতের সব মানুষ ও প্রাণীকুল আল্লাহর দেয়া এই একভাগ ভালোবাসা দিয়ে গোটা দুনিয়াকে মায়ার জালে আটকে রেখেছে।সন্তানের জন্য পিতা-মাতার যে অকৃত্রিম ভালোবাসা তা অপূর্ব। পশু-পাখি ও বণ্যপ্রাণীরা তাদের সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেয়; নিরাপত্তার চাদরে আগলে রাখে এ ভালোবাসার কারণেই। ভালোবাসার মাধ্যমেই মহান আল্লাহ সৃষ্টিকুলকে টিকিয়ে রেখেছেন; সতেজ রেখেছেন; রেখেছেন প্রাণবন্ত। ভালোবাসা না থাকলে এ জগত-সংসার টিকে থাকত কিনা সন্দেহ। ভালোবাসা আছে বলেই পরিবার, সংসার ও সমাজ টিকে আছে। ভালোবাসার টানেই গর্ভবতী মা তার গর্ভের সন্তানকে ১০ মাস ১০ দিন কঠিন যন্ত্রণার মাঝেও আগলে রাখেন; নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও নবজাতককে দুনিয়ায় আসার সুযোগ করে দেন; আমরণ নিজের সন্তানকে ভালোবাসার আঁচলে জড়িয়ে রাখেন। পুরুষরা রাত-দিন হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেন নিজ স্ত্রী ও সন্তান-সন্তুতিকে একটু আহার এবং শান্তি দানের নিমিত্তে; স্ত্রীরা মনের মাধুরী দিয়ে ঘরসাজান ও রঙিন স্বপ্নে বিভোর হন ওই একটু ভালোবাসার শক্তিতেই। ভালোবাসা আছে বলেই পৃথিবী এত সুন্দর। ভালোবাসার যে বিশালতা তা কি কোনো দিবসের মধ্যে বেঁধে ফেলা যায়? করা যায় ফ্রেমবন্দি? আসলে যারা এটি করতে চান তারা ভালোবাসার বুভুক্ষু, কাঙাল। এদের কেউ কোনো দিন ভালোবাসেনি। তাই এরা ভালোবাসা পাওয়ার জন্য অন্যের কাছে যাচনা করে; গোলাপ নিয়ে তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করে; দিন-ক্ষণের প্রহর গোনে।

ভালোবাসা আল্লাহর দেয়া এক অফুরন্ত নেয়ামত। এটি সহজাত। অন্যকে ভালোবাসতে কোনো প্রশিক্ষণ লাগে না। আল্লাহর সঙ্গে বান্দার, রাসুলের সঙ্গে উম্মতের, পিতা-মাতার সঙ্গে সন্তানের, স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর, শিক্ষকের সঙ্গে ছাত্রের, দেশের সঙ্গে নাগরিকের, প্রাণীর সঙ্গে মানুষের, পেশার সঙ্গে পেশাজীবীর এবং কবিতার সঙ্গে কবির যে ভালোবাসা তা কখনও দিন-তারিখের জন্য অপেক্ষা করে না; ধার ধারে না কোনো আনুষ্ঠানিকতার। প্রকৃতির আপন নিয়মেই তা সৃষ্টি হয় যথাসময়ে; পরিমাণমত।

অনেকে প্রেম-ভালোবাসা পবিত্র বলে এর অপব্যবহার করেন। প্রেম পবিত্র তখনই যখন এটি সীমা লংঘন না করে। পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা ও স্বামীর জন্য স্ত্রীর ভালোবাসা পবিত্র, কিন্তু অবিবাহিত যুবক-যুবতীর প্রেম ভালোবাসা ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ নয়; পবিত্রও নয়। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয়, বাংলাদেশের কিছু মিডিয়া ও অসুস্থ মানসিকতার ব্যক্তিরা ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন’স ডে উদযাপনের আয়োজন করে পাশ্চাত্য ধারার সস্তা, অবৈধ, অপবিত্র, যান্ত্রিক, কৃত্রিম ও বাণিজ্যিক ভালোবাসা উপহার দিয়ে দেশ ও দশকে কলুষিত করছে।

ভ্যালেন্টাইন’স ডে উদযাপন কোনো ভালো কাজ নয়। এটি আমাদের সংস্কৃতি নয়। এটি বিজাতীয় অপসংস্কৃতি। এ ধরনের অপসংস্কৃতির মধ্যে পাওয়ার নেই কোনো কিছু; হারানোর আছে অনেক। বিশেষ করে মুসলিম নর-নারীরা এটিকে কোনোভাবেই উদযাপন করতে পারেন না। ভ্যালেন্টাইন’স ডে যুবক-যুবতীর মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়তা করে। ১৪ ফেব্রুয়ারি যখন কোনো যুবক-যুবতীকে প্রেম নিবেদন করে কিংবা ভ্যালেন্টাইন গিফট ও গোলাপ উপহার দেয়; তখন তা অন্য যুবক-যুবতীদের যারা এগুলো করেন না তাদের মনে রেখাপাত করে। বিশেষ করে যখন তাদের বন্ধু-বান্ধবীরা প্রশ্ন করে তুমি কতজনকে গোলাপ উপহার দিয়েছ কিংবা তোমাকে ক’জন উইশ করেছে? যদি উত্তর নেতিবাচক হয় তখন তাকে বলা হয় তোমার কোনো যোগ্যতা নেই; সারা বছরে একজন মনের মানুষ জোগাতে পারলে না এ কেমন কথা। তখন তারা বিষণ্নতায় ভোগে। পরবর্তী বছর তারাও তাদের জুটি খোঁজার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। এভাবে একটি পবিত্র সমাজ ধীরে ধীরে অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হয়। এসব অপসংস্কৃতির কারণেই আজ বাংলাদেশে ইভটিজিং, ধর্ষণ, অপহরণ, নারী নির্যাতন ও এসিড সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। যখন বই-কলম নিয়ে স্কুল-কলেজ কিংবা নিজ আলয়ে যুবক-যুবতীদের পড়ে থাকার কথা; তখন তারা প্রেমিক-প্রেমিকার খোঁজে কিংবা পুরনো প্রেমিক-প্রেমিকাকে নিয়ে গল্প করে, আড্ডা দিয়ে, নেশা করে, নাচ-গান করে সময় পার করার চেষ্টা করছে; অঢেল পয়সা খরচ করছে। এ ধরনের পাশ্চাত্য সংস্কৃতি আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে চরমভাবে আঘাত করছে। আমাদের যুব সমাজ হারাচ্ছে তাদের অমূল্য সম্পদ চরিত্রকে।

ভ্যালেন্টাইন’স ডে উদযাপনের সংস্কৃতি হতে আমাদের বের হতে হবে এখনই। তা না হলে ভবিষ্যতে আমাদের অনেক বেশি খেসারত দিতে হবে। একটি কথা মনে রাখতে হবে, যে জাতি তাদের নিজস্ব কৃষ্টি-কালচার ও ধর্মীয় চেতনাকে বাদ দিয়ে অন্য জাতির চেতনা ও সংস্কৃতিকে লালন করে তারা কখনও স্বকীয়তা নিয়ে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। বিশেষ করে চরিত্রহীন, লম্পট, ভোগবাদী ও বস্তুবাদী দিয়ে কখনও আদর্শ সমাজ গঠন করা যায় না; যাবে না। আদর্শ জাতি ও দেশ গড়তে চাই আদর্শ মানুষ। আদর্শ মানুষ গড়তে চাই উত্তম চরিত্র। উত্তম চরিত্র ধরে রাখতে হলে উন্নত সংস্কৃতি ও চেতনার লালন ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে থাকতে হবে। অতএব, আসুন আমরা সবাই অপসংস্কৃতিকে এখনই প্রতিরোধে এগিয়ে আসি। সুন্দর, সুশীল সমাজ গঠনে সুস্থ ও সুন্দর সংস্কৃতির বিকাশে আমরা সবাই উদ্যমী হই, হই উদ্যোগী। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
মহাসচিব,
হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদ,রামু।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •