cbn  

বার্তা পরিবেশক:
কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন উপজেলা শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক, ইউনিয়ন জঙ্গী ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও ইউপি সদস্য এম. নূরুল ইসলাম কুতুবী। আওয়ামী লীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে সাধারণ নেতাকর্মীদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। নেতাকর্মীরা আশা করছেন, দলীয় প্রার্থী হিসেবে এম. নূরুল ইসলাম কুতুবীকে মনোনয়ন দেয়া হলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এম. নূরুল ইসলাম কুতুবী আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা। তিনি সারাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অতিবাহিত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে ১৯৮৯ সালে স্কুলে পড়ালেখাকালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এরপর একজন সক্রিয় কর্মী ও নেতা হিসেবে জীবনের দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে অতিবাহিত করে যাচ্ছেন।

এম.নূরুল ইসলাম কুতুবী রাজনৈতিক জীবনে ধূরুং আদর্শ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি, উপজেলা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে বঙ্গবন্ধু আদর্শ অনুশীলন পরিষদ ধূরুং আঞ্চলিক শাখা গঠন করে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড উপজেলা শাখার আহ্বায়ক, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে লেমশীখালী ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য।

সামাজিকভাবেও বেশ কয়েকটি সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন এম. নূরুল ইসলাম কুতুবী। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের জেলা সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমানে সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। লেমশীখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য ও পিটিএ’র দুইবারের সভাপতি ছিলেন। দক্ষিণ করলাপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন। বর্তমানে দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহায়তার মানবসেবার কেন্দ্রস্থল ধুপীপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সভাপতি, উত্তর লেমশীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ ধুপী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য, দক্ষিণ ধুপী পাড়া কালিমন্দির পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা, পশ্চিম ধুপীপাড়া দূর্গামন্দির ও লোকনাথ ধাম পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এম. নূরুল ইসলাম কুতুবী পারিবারিকভাবে এক সম্ভ্রান্ত আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। তার পিতা মরহুম হাজী মোহাম্মদ পেটান আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে ১৯৬৬ সালের ৬দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যূত্থানে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ৭০ এর জাতীয় নির্বাচনে লেমশীখালীতে নৌকা প্রতীকের জনসভায় সভাপতিত্ব করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন শীর্ষসারির সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন, নির্যাতিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন এবং নিজেও সস্ত্রীক নির্যাতিত হন।

এই প্রসঙ্গে এম. নূরুল ইসলাম কুতুবী বলেন, ১৯৮৯ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতে যোগ দেয়ার পর থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে নিজেকে সব সময় নিয়োজিত রেখেছি। ৯০এর এরশাদের স্বৈরাচার পতন আন্দোলন সক্রিয় ভূমিকা রাখি। ৯১, ৯৬ জাতীয় নির্বাচনে মাঠের কর্মী হিসেবে এবং ২০০১ এর জাতীয় নির্বাচনে নৌকার এজেন্টের দায়িত্ব পালন করি। ২০০১ এর জাতীয় নির্বাচনের পর মিথ্যা মামলা, পুলিশী হামলা ও হয়রানির পরও রাজনীতির মাঠের হাল ছাড়িনি। ২০০৮ ও ২০১৮ এর নির্বাচনে লেমশীখালী রাজাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র চীফ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। সর্বশেষ বর্তমানে জাতীয় শ্রমিক লীগের উপজেলা আহ্বায়ক হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, আমাকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও দেশরত্ন নেত্রী, মমতামীয় মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকে আরো গতিশীল করে গণমানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবো ইনশাআল্লাহ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •