আবুল কালাম, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মোট ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে থাকবে প্রায় ২৫টি ওয়ার্ড এলাকায়।
এসব ওয়ার্ডেই রয়েছেন একাধিক সংরক্ষিত-সাধারণ কাউন্সিলর, বিদ্রোহী প্রার্থী।
ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় এসব ওয়ার্ডগুলো ঘটেছে প্রচারণার সময় খুন, নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর, প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে পোস্টার ব্যানার ছেঁড়া, হামলা, মামলাসহ একাধিক ঘটনা। এসব ওয়ার্ডগুলোর কাউন্সিলর প্রার্থীদের নানাবিধ ঘটনায় নির্বাচন কমিশনে পড়েছে প্রায় ৩৫ টার বেশি অভিযোগও।
এসব অভিযোগের অধিকাংশই নিষ্পত্তি করা হলেও প্রতিটি এলাকায় রয়েছে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। এসব এলাকায় ভোটের উৎসবে প্রতি মূহুতেই আতংকিত আছেন ভোটাররাও। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে বিভিন্ন ঝুকিঁপূর্ণ এলাকা বা ইতিমধ্যে যে সব এলাকায় নানা ঘটনা খুন ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঘটেছিল প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা কঠোর নজরদারিতে রাখবেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও চসিক নির্বাচনের রির্টানিং অফিসার মো. হাসানুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চসিক নির্বাচনে সব এলাক হচ্ছে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রশাসন স্ব স্ব এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন। যেসব এলাকায় একের অধিক প্রার্থী রয়েছেন, যেসব এলাকায় অভিযোগের পাশাপাশি, উত্তপ্ত, ভাংচুর এবং খুনের মতো ঘটনা ঘটেছে, সেখানে কঠোর নজরদারিতে থাকবেন দায়িত্বশীলরা।
তাছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে অভিযোগের একাধিক নিষ্পত্তিও হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টতা পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বিএনপিকে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতির জনক’ বলেও উল্লেখ করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •