cbn  

সিবিএন ডেস্কঃ
পর্যটকদের নিয়ে ট্যুর পরিচালনা করতে হলে অপারেটরদের অবশ্যই সরকারের নিবন্ধন নিতে হবে। নিবন্ধন ছাড়া তা কেউ করলে অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হবে। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ সরকার ঠিক করবে।
এমন বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ ট্যুর অপারেটর ও ট্যুর গাইড (নিবন্ধন ও পরিচালনা) আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, কীভাবে ট্যুর পরিচালনা করা হবে, দেশি-বিদেশি অপারেটরদের কীভাবে অনুমোদন ও নিবন্ধন করা হবে—এসব বিষয় আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে। ট্যুর অপারেটররা কোনো অপরাধ করলে অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হবে। এসব অপরাধের বিচার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমেও করা যাবে।
খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, এই আইনের ফলে পর্যটকদের সেবা পাওয়া সহজ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আয় হবে। কারণ, এখন অনেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে অনেক বড় বড় ট্যুর হচ্ছে। কিন্তু এর কোনো রাজস্ব সরকার পাচ্ছে না। এখন যারা নিবন্ধন করবে, তারা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে চলে আসবে। অনলাইনে নিবন্ধন করা যাবে। তিন বছর পর্যন্ত নিবন্ধনের মেয়াদ থাকবে। পরে নবায়ন করা যাবে। লাইসেন্স হস্তান্তরেরও সুযোগ আছে প্রস্তাবিত আইনে।
বৈঠকে বয়লার আইনের খসড়া এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্প উন্নয়ন নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি করপোরেশন (ব্যবস্থাপনা সমন্বয়) আইন প্রণয়নের আবশ্যকতা নিরূপণের জন্য আগের করা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই কমিটিতে থাকবেন কৃষিমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। কৃষিমন্ত্রীকে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ১৯টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৫০টি করপোরেশন আছে।
এ ছাড়া বৈঠকে ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বৃদ্ধি, পেনশন ব্যবস্থাপনার সংস্কার এবং এ–সংক্রান্ত অটোমেশন কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করেছে অর্থ বিভাগ।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •