বার্তা পরিবেশক :
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নিজ পৈতৃক সম্পত্তি জবর দখল পূর্বক ভোগ করে আসছে একটি ভূমিদস্যূ চক্র। এনিয়ে আত্মীয় স্বজনের কাছে বিচার দিয়েও বিচার পায়নি ভুক্তভোগিরা। এমন ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের সিপাহীর পাড়া গ্রামে।
এ নিয়ে ১৭ জানুয়ারি ভুক্তভোগিরা ন্যায় বিচারের স্বার্থে দখলবাজ চক্রের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় একখানা অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে থানা সূত্রে জানাগেছে।
জানাযায়, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের সিপাহীর পাড়ার বাসিন্দা মৃত হাজী মোজাফ্ফর আহমদের ১০ জন ছেলে মেয়ে রয়েছে। তারমধ্যে ৩ জন ছেলে ৭ জন মেয়ে, তার মধ্যে আয়েশা আর রশিদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে। সম্প্রতি মৃত হাজী মোজাফ্ফর আহমদের ২ পুত্র মারা যায়। অপরজন মৌলভী ফরিদুল আলম বাকপ্রতিবন্ধি। যার সরকারি বাক প্রতিবন্ধি আইডি নং- ০৩২২০০২০৬৪৮। এতো সম্পদ থাকার পরেও দখলবাজদের কারনে পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি অতি মানবেতর জীবন করছে। অন্যদিকে ওই দখলবাজদের কারনে পথে বসেছে হাজী মোজাফ্ফর আহমদের স্ত্রী আদলশ খাতুনও!
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, হাজী মোজাফ্ফর আহমদের পুত্র মৃত জাফর আলমের ছেলে মো. শিফাত, মো. রিফাতসহ একটি নিকটতম সিন্ডিকেট দীর্ঘ ২ যুগ করে ভুক্তভোগিদের পৈতৃক সম্পদ জবর দখল করে ভোগ করছে। অপরদিকে হাজী মোজাফ্ফর আহমদের স্ত্রী আদলশ খাতুনকেও সমস্ত সম্পদ থেকে বঞ্চিত করেছে ওই দখলবাজ সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটটি অতি প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর হওয়ায় তারা তাদের সমস্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়ে বিপাকে রয়েছে।
অভিযোগের ব্যাপারে মৃত জাফর আলমের ছেলে মো. শিফাতের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি পরে কথা বলবেন, এই বলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ নিয়ে মরহুম হাজী মোজাফ্ফর আহমদের মেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি সিনিয়র শিক্ষিকা আয়েশা ছিদ্দিকা জানান, আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি’র বার্ষিক আয় হয় প্রায় ১০ লাখ টাকা। তারা দীর্ঘ ২ যুগ ধরে আমাদের সম্পত্তি জবর দখল করে খাচ্ছে। আজ ১৭ বছর ধরে স্থানীয় আতœীয় স্বজনের কাছে এব্যাপারে আমরা বিচার দিয়েছি। তারা এখনও কোনো সমাধান দিতে পারেনি। তাই আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছে। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •