মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং পর্যটন এলাকা হিসেবে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে বর্তমানে অবস্থানরত শরনার্থীদের উখিয়া টেকনাফ এর বিভিন্ন ক্যাম্পে পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প থেকে ১৪৪টি পরিবারের ৬৭০জন রোহিঙ্গা শরনার্থীকে উখিয়ার ২০ নম্বর শরণার্থী ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধবার ১৪ জানুয়ারী বিকেল ৩টার পর ৯টি বাস ও ৪টি ট্রাকে করে তাদের উখিয়ায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এ স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সেখানকার রোহিঙ্গা শরনার্থীরা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মে জড়িয়ে পড়েছে এবং ক্যাম্প থেকে পালিয়ে বাহারছড়ার গহীন পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করছে। যা পর্যটক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য হুমকিস্বরূপ। এভাবে হলে বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গারা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে। তাই সরকার রোহিঙ্গাদের এ ক্যাম্পটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে বাহারছরার শামলাপুরের এপিবিএন এর চেকপোস্টে বিগত সালের ৩১ জুলাই সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যাকান্ডের পর বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর শরণার্থী ক্যাম্পটি বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করে সরকারের শীর্ষ মহল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •