প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
নিজস্ব হাসপাতাল এবং জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় বার্থসেন্টার ও মেডিকেল সেন্টার স্থাপন করে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে যাচ্ছে হোপ ফাউন্ডেশন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশাল হাসপাতাল পরিচালনা করছে এই মানবসেবী সংস্থা। পাশাপাশি সরকারি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথেও সহযোগিতামুলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স একটি আধুনিক সুবিধা সম্বলিত মর্গ স্থাপন করে দিচ্ছে হোপ ফাউন্ডেশন। উপজেলা পর্যায়ে এটিই হচ্ছে প্রথম মর্গ।

সোমবার (১১জানুয়ারি) এই মর্গ স্থাপনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।
এসময় সাথে ছিলেন, হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কেএম জাহিদুজ্জামান ও মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মাহফুজুল হক।

উদ্বোধনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, যোগাযোগ সংকীর্ণতার কারণে অস্বাভাবিক মৃত্যু বরণ করা মরদেহ সংরক্ষণ করতে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেশ সমস্যা হয়। বিষয়টি জেনে হোপ ফাউন্ডেশন ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিওকে একটি মর্গ করে দেয়ার জন্য বলেছি। কিন্তু কোনো এনজিও তাতে সাড়া দেয়নি। তবে তাতে সাড়া দিয়েছেন হোপ ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ। তাদের এই সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনসহ সূবস্তরের মানুষ।

মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মাহফুজুল হক বলেন, মহেশখালীতে লাশ সৃংরক্ষণের জন্য একটি মর্গের প্রয়োজন দেখা দেয় বহু বছর আগে। বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে হোপ ফাউন্ডেশন এই অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনটি পূর্ণ দিয়েছেন। তাদের অবদান মহেশখালীবাসীর জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কেএম জাহিদুজ্জামান বলেন, মানবতার প্রয়োজনে হোপ ফাউন্ডেশন সব সময় হাত বাড়িয়ে দেয়। মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আমরা সাধ্য মতো ভালো মানের একটি মর্গ করে দিচ্ছি। আগামিতে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজারের কৃতিসন্তান আমেরিকা প্রবাসী চিকিৎসক ইফতিখার মাহমুদের অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত হোপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রামুর চেইন্দায় একটি বড়মাপের হসপিটাল এবং জেলা কয়েকটি স্থানে বার্থসেন্টার ও মেডিকেল সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। ২০১৭ সালে নির্যাতনের মুখে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার পর উখিয়ার স্থাপন করে বড় ধরণের একটি ফিল্ড হসপিটাল। সেখানে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। করোনার প্রকোপ শুরু হলে এই হাসপাতালটিকে ৫০ বেডের একটি আইসোলেশন সেন্টারসহ ১০০ বেডে উন্নীত করা হয়। একইভাবে রামুর চেইন্দায়ও ৫০ বেডের একটি করোনা আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •