মোঃ কাউছার ঊদ্দীন শরীফ, ঈদগাঁও:

কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদে এক দিনমজুরের বসতবাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । দিবাগত রাত ৩টার দিকে বর্ণিত ইউনিয়নের চর পড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।

জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলা ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড চরপাড়া এলাকার আব্দু সালামের বাড়িতে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় এলাকাবাসী অনেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আনতে বাড়িটি আগুনে পুড়ে যায়। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাবসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। কিসের আগুন এখনো কেউ স্পষ্ট বলতে পারছেন না।বর্তমানে পরিবারটি খোলা আকাশে নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এপরিবারের মালিক দিনমজুর হওয়ায় বাড়িটি পুনরায় নির্মাণ করা তার পক্ষে অসম্ভব। তাই তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।ক্ষতিগ্রস্ত আব্দু সালাম জানান,মুহূর্তের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বসতঘরে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাব, টিভি, ফ্রিজসহ কমপক্ষে ২ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।বর্তমানে খোলা আকাশে নিচে জীবনযাপন করছি।স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এলাকাবাসীরা বলেন,নগরীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁওতে একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ এখানো ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন স্থাপনের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার ফলে এলাকায় অগ্নিকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে এতে জনগণের ক্ষতি হচ্ছে।কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বিগত ২০ বছরে ঈদগাঁও নদীতে গোসল করতে নেমে প্রাণহাণি ঘটেছে শতাধিক লোকের। আর গত দশ বছরে পাহাড় ধসে মৃত্যুর সংখ্যাও অর্ধশতাধিক।

এছাড়া প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডসহ নানা দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে বছর বছর প্রাণহানি ও শত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। কাজেই এখানে আধুনিক ফায়ার স্টেশন নির্মিত হলে মানুষ আরো ভালো সেবা পাবেন ও দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি কমে আসবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। উল্লেখ্য ৬ জানুয়ারী সন্ধ্যা ৭টায় ভারুয়াখালীতে অগ্নিকান্ডে ১০ বসতবাড়ি পুুুুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে পনের লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়। এক আগে ৪ ডিসেম্বর সকালে ঈদগাঁও বাস স্টেশনের কলেজ গেইট সংলগ্ন স্থানে গ্যাস সিলিন্ডার ক্রসফিলিং ডিপোতে আগুন লেগে ডিপোটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এসময় দুই কর্মচারী নিহত হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ৬০ লক্ষাধিক টাকা। স্থানীয় জনগনের এক ঘন্টা চেষ্টার পর আগুণ নিয়ন্ত্রনে আসে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •