ইমাম খাইর, সিবিএন:
কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন সংস্কার ও সড়ক উন্নয়ন কাজে চরম খামখেয়ালিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ড্রেনের কাজ করতে গিয়ে মাটি খুঁড়ে সরাসরি রাস্তায় ফেলে রাখা হচ্ছে। মাস পেরিয়ে গেলেও সরানো হচ্ছে না। আবার ড্রেন বা সড়ক উন্নয়নের কাজও তেমন এগুচ্ছে না। অবহেলা রয়েছে ঠিকাদারের। নেই তদারকি কর্তৃপক্ষের। যে কারণে ভোগান্তির শিকার পথচারিরা। যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। হচ্ছে দুর্ঘটনা। অধিকন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব বিষয়ে সাধারণ মানুষ বিরুপ মন্তব্য, লেখালেখি করছে প্রতিনিয়ত। তবু টনক নড়ছে না সংশ্লিষ্টদের।

এসব বিষয়ে নিজের ফেসবুকে লিখেছেন কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিন।

পাঠকের উদ্দেশ্যে তা হুবহু উপস্থাপন করা হলো:
মানবিক দৃষ্টি আকর্ষণ-
জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার
পৌর কর্তৃপক্ষ, কক্সবাজার
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কক্সবাজার

প্রেক্ষিত- ১) কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম ও উত্তর পার্শ্বস্থ রাস্তা
২) মোহাজের পাড়ায় ঢুকার মুখে রাস্তা
কক্সবাজারের রাস্তা দু’টিতে ড্রেন নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে প্রায় একমাস আগে। প্রথম দিকে গতিশীল কাজ হলেও বর্তমানে কাজের গতি শূণ্যের কাছাকাছি। অত্যন্ত ব্যস্ত সড়কগুলোতে ড্রেন খননের সময় যে মাটি তুলা হয়েছিলে তা রাস্তার পাশেই রেখে দেয়া হয়েছে। অনবরত গাড়ি চলাচলের কারণে সে মাটি সারা রাস্তায় ছড়িয়ে গেছে। মাটি ছাড়া রাস্তার পীচের কোন চিহ্ন নেই। বর্তমানে রাস্তাটুকু পার হওয়ার সময় গাড়ির ধূলোবালিতে পুরো শরীর সাদা হয়ে যায়, মাস্ক পরেও চোখ-মুখ, ফুসফুসকে নিরাপদ রাখার উপায় নেই।
সহজ সমাধান-
১। অবিলম্বে অপ্রয়োজনীয় মাটি সরিয়ে নেয়া
২। নিয়মিত পানি ছিটানো
৩। অতি দ্রুত কাজ শেষ করা
কতদিন এ কষ্ট সহ্য করতে হবে, কেন করতে হবে?
আর কতদিন এ কষ্ট সহ্য করতে হবে, কেন করতে হবে?
কারও দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেন সাধারণ মানুষের জীবন এভাবে বিপন্ন হবে?
সদাশয় কর্তৃপক্ষ, একটু নজর দিলে এক ঘন্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান সম্ভব।
আমরা আশায় থাকলাম।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •