নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুলের কুলিয়ার পাড়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারী রাত পর্যন্ত কুলিয়ার পাড়াস্থ কমার্স কলেজের সামনে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা গুলি ঘটেছে। এসব ঘটনায় ছিনতাইকারিদের হাতে অন্তত ১৫ জন আহত ও বিভিন্ন মালামালসহ কয়েক লাখ টাকা লুট হয়েছে বলে ভোক্তভোগীরা জানিয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে ৮ জন সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
ব্যবসা বানিজ্যসহ কাজের প্রয়োজনে প্রতিদিন খুরুশকুলের হাজার হাজার মানুষ কক্সবাজার শহরে আসে। তারা সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরতে গিয়ে অনেকে কুলিয়ার পাড়ায় ছিনতাই ও ডাকাতির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ জানান ভোক্তভোগী অনেকে। টাইম বাজারস্থ মেহেদী পাড়ার বাসিন্দা শহরের ফিশারী ঘাটের ব্যবসায়ী নাজির হোসেন জানান, সন্ধ্যা হলেই অসংখ্য অপরাধী
কুলিয়ার পাড়া মহা সড়কের কমার্স কলেজের সামনে এসে অবস্থান নেয়। তারা সুযোগ বুঝে গভীর রাত পর্যন্ত সড়কে চলাচলরত গাড়ি থামিয়ে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ে জড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ী আবু তাহের, মোস্তাক,শাহাব উদ্দিন অভিযোগ জানান এই কুলিয়ার পাড়ায় গত এক সপ্তাহে ৫টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শুধু টাইম বাজার ও তার আশপাশের এলাকার ১৫ জন ব্যবসায়ী ছিনতাইয়ের শিকার ও তৎমধ্যে ৮জন আহত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
আহতরা হচ্ছে- মেহেদী পাড়ার বদিউল আলমের পুত্র মোঃ আকবর (২৫),মৃত নুরুল আলমের পুত্র শাহাব উদ্দিন (৩০),মৃত জাফর অঅলমের পুত্র কায়সার (২০),জহির আলমের পুত্র নুরুল হক (৩২),জাফরের পুত্র আব্দুর রাজ্জাক (২২),ফরিদুল আলমের পুত্র আরাফাত (২২),জহিরের পুত্র আব্দুর রহিম (২৩),নুরুল আলম (৩৫)।
আহতরা এ প্রতিবেদককে জানান কুলিয়ার পাড়ার ছিহ্নিত ছিনতাইকারি জনৈক শাকিল, ইসহাক, কায়সার, করিম, শওকত, রুবায়েত, রফিক, ইসলাম, রুবেলসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব ঘটনার সাথে জড়িত।
অপরাধীদের দমনে আইন শৃংখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।
এব্যপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন জানান, কয়েকদিন আগে কুলিয়ার পাড়ায় রাতে মারামারির কিছু ঘটনা শুনেছি। তা সমাধান করেছি। এছাড়া তেমন বড় ধরনের অপরাধ ইউনিয়নে ঘটেনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •