এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

৩৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য একতাবাজার- মগনামা বানৌজা শেখ হাসিনা ঘাটি সড়ক উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম। সোমবার বিকালে তিনি সড়কের পেকুয়া বাইম্যাখালী অংশে উপস্থিত থেকে নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। ওইসময় এমপি জাফর আলম স্থানীয় এলাকাবাসির সঙ্গে কথা বলেন। জনগনের অভিযোগ আপত্তি শুনে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণপুর্বক প্রকল্পের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। পরিদর্শনকালে এমপি জাফর আলমের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চেয়ারম্যান শওকত ওসমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আবু মুছা ছাড়াও স্থানীয় আওয়ামীলীগ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন এবং এলাকাবাসি।

প্রসঙ্গত; গত ২০ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অর্থায়নে ৩৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য একতাবাজার- মগনামা বানৌজা শেখ হাসিনা ঘাটি পর্যন্ত নতুন সড়ক উন্নয়ন কাজ। ওইদিন প্রকল্প এলাকায় উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিক সড়ক উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম।

অবশ্য এরআগে গত ২২ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সড়কটির নির্মাণকাজের ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন ও কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। আর শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে সড়কটির উন্নয়ন কাজ শুরু করেছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এসময় উপস্থিত থেকে মোনাজাতের মাধ্যমে কাজের সুচনা করলেন এমপি জাফর আলম।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, সড়কটি দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার জনসাধারণের যাতায়াতের এবং চকরিয়া, পেকুয়া ও কুতুবদিয়ায় উৎপাদিত লবণ এবং আহরিত চিংড়ি ও সামুদ্রিক সম্পদ দেশের অন্যান্য স্থানে পরিবহনের জন্য একমাত্র এই সড়ক ব্যবহার হবে। এছাড়া মগনামা ঘাঁট হতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে ৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে বানৌজা শেখ হাসিনা ঘাঁটিতে যাতায়াত একেবারে সহজ হবে। এতে উপকৃত হবেন অন্তত ১০ লক্ষাধিক জনগোষ্ঠি।

সড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এমপি জাফর আলম বলেছেন, ‘৩৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাওয়া এই সড়কটিই হয়ে উঠবে চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া ও মহেশখালীর মানুষের অর্থনীতির চাকা সচলের। একইসাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে মগনামায় দেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি তথা ‘বানৌজা শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাঁটিতে’ যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হবে এই সড়কটি। ইতোমধ্যে সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হলে এই একটি সড়কের বদৌলতে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পাশাপাশি উপকূলীয় উপজেলা পেকুয়া, কুতুবদিয়া ও মহেশখালীর জনগনের জীবনচিত্র বদলে যাবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •