cbn  

বার্তা পরিবেশক :

কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের চাঁদের পাড়া চাঁদাবাজদের কবল থেকে প্রবাসীর জায়গা দখলমুক্ত করলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনিন সরওয়ার কাবেরী।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলের দিকে সরজমিনে পরিদর্শন করে সীমানা নির্ধারণ করে দেন কাবেরী।

এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য,প্রবাসীর স্ত্রী, পিতা, শশুরসহ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সীমানা নির্ধারণকালে কাবেরী বলেন, ভুমিদস্যু ও চিহ্নিত চাঁদাবাজরা প্রবাসীদের উপর নানাভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করেছে। তারা দীর্ঘদিন ৪ মাস ধরে নানা অত্যচারে জর্জরিত। প্রবাসী মঈন উদ্দীন প্রবাস কেটে মাত্র ৩ গন্ডা জায়গা কিনেছিল। ওই জায়গায় খুটি দিতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপির সভাপতি জাকের কামালসহ তার বাহিনীরা দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করছিল প্রবাসী মঈন উদ্দীনের কাছ থেকে।

মঈন উদ্দীন চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ওই সন্ত্রাসীদের হাতে তার স্ত্রী ও স্ত্রীর বড় ভাই হয়েছিল। এখন প্রবাসী মঈন উদ্দীনসহ তার পরিবাররা প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুষ্ঠু বিচারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এবিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিল প্রবাসীর পরিবার।

উল্লেখ্য যে, সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের চাঁদের পাড়া এলাকায় নিজের জায়গায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণে সন্ত্রাসীর চাঁদাদাবী। চাঁদার টাকা না দেওয়াতে এক প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুইজনকে গুরুতর আহত করে সন্ত্রাসীরা।
এখনো সন্ত্রাসীদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে প্রবাসী মঈনের পরিবার।

দুবাই প্রবাসী মঈন উদ্দিন দীর্ঘ বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে মাথা গোঁজার ঠাই জোগাতে সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের ফজল হকের কাছ থেকে ৬শতক জায়গা ক্রয় করে।

সেই জায়গায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে চাঁদা দাবি করে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাকের ও কামালের লোকজন।

তাদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালানো হয় হামলা।

এসময় তাদের ধাঁরালো অস্ত্রে মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন মঈনের স্ত্রী নুসরাত শারমিন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাকে উদ্ধার করে।

চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এই ঘটনায় নুসরাত শারমিন এর বড়ভাই আমানুল হক কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ফজলুল করিম জানান, কামালকে চাঁদার টাকা না দেওয়ার কারণে নির্মাণ শ্রমিকের দুইটা মোবাইল নিয়ে যায়। এরপর দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে প্রবাসী মঈন উদ্দিনের জায়গা তারা নিজেদের জায়গা দাবী করে গায়ের জোরে কাজ বন্ধ করে দিযেছে বলে জানান তিনি।

একের পর এক অপরাধ কর্মকান্ড করে পার পাচ্ছে বলেই, এই সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হচ্ছে দিনের পর দিন।এসব সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করলে এলাকায় বন্ধ হবে চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ড এমনটাই মনে করেন সচেতন মহল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •