জাহেদ হাসান :
রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চাইল্যাতলী এলাকায় কক্সবাজার -টেকনাফ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগে মুল্যবান জমি দখল করে পাকা স্হাপনা নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে চাকমারকুল ইউনিয়নের বাসিন্দা ওয়াজেদ আলীর পুত্র সৈয়দ করিম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ওয়াজেদ আলী ও তার পুত্র সৈয়দ করিম কক্সবাজার -টেকনাফ সড়কের পাশে তাদের ক্রয়সূত্রে মালিকানাধীন জমির পাশাপাশি সড়ক বিভাগের জমিও দখল করে স্হাপনা নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে। অবশ্য কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, তদন্ত করে সরকারী জমি থেকে অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্হাপনা নির্মাণাধীন কালে ওয়াজেদ আলীর সাথে দেখা হলে এবিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে বলে,আমার জমিতে আমি স্হাপনা নির্মাণ করছি এতে কারো কাছ থেকে অনুমিত নিতে হবেনা।পরে তার কাছে জমির কাগজপত্র আছে কিনা তা জানতে চাইলে সে তা দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করে।

তারপরও পিতা-পুত্র প্রকাশ্যে কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক মহাসড়ক লাগোয়া চাইল্যাতলী এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের কয়েক কোটি টাকার জমি দখল করে সেখানে বিশাল আকারের পাকা স্হাপনার নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এব্যাপারে সৈয়দ করিমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি চলাচলের রাস্তা করার জন্য ভরাট ও বাউন্ডারি দিচ্ছি।সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবিষয়ে অবগত আছেন কিনা প্রশ্নের উত্তরে সে বলে,সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানে না তাদের সাথে পরে যোগাযোগ করবো।তিনি আরও বলেন,সেখানে সড়কের জমি আছে কিনা সে জানেনা।

এবিষয়ে কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মিন্টু চাকমা বলেন, সড়ক বিভাগের জমি দখল করার অধিকার কারও নেই। এগুলো সরকারী সম্পত্তি।

তিনি বলেন, আমরা পূর্বেও সড়ক বিভাগের জমির উপর স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি এবং এই বিষয়টিও তদন্ত করে সরকারী জমি উদ্ধারের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সচেতন মহলের মতে, মহাসড়কের দু’পাশে সড়ক বিভাগের মালিকানাধীন কোটি কোটি টাকার সম্পদ বেহাত হয়ে গেছে। সড়ক বিভাগের জমি দখল করে পাকা দালানসহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তুলে দখলবাজরা প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা আয় করে যাচ্ছে। অথচ মুল্যবান এসব জমি উদ্ধারে সড়ক বিভাগের কোন উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •