অনলাইন ডেস্ক : প্রথমবারের মতো যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে ফিলিস্তিনের ১২টি প্রতিরোধ সংগঠন। আজ মঙ্গলবার দেশটির হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় ঐতিহাসিক এ মহড়া শুরু হয়েছে। তবে এটি কতদিন চলবে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

এ মহড়ায় বিভিন্ন ধরনের রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পাশাপাশি নানা ধরনের ড্রোন ওড়ানো হয়েছে। এমন অনেকগুলো ছবি ফিলিস্তিনি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

পার্সটুডে জানায়, মহড়াটিতে অংশ নিয়েছে ফিলিস্তিনের ১২টি প্রতিরোধ সংগঠন। কেন্দ্রীয়ভাবে এসব সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ কমিটি এই মহড়া নিয়ন্ত্রণ করছে।

কমিটির গণমাধ্যম বিভাগের মুখপাত্র আবু মুজাহিদ জানান, অভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ কমান্ড। ঐতিহাসিক এ মহড়া তার প্রমাণ বহন করছে।

দেশটির প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর সামরিক শক্তি অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে উল্লেখ করেন আবু মুজাহিদ। আগামীতে প্রতিরোধ সংগ্রামীরা শত্রুদের বিরুদ্ধে রণাঙ্গনে তাদের শক্তি প্রমাণ করতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ মহড়ায় ফিলিস্তিনের সকল প্রতিরোধ সংগঠন অংশ নিয়েছে জানিয়ে দেশটির গণমাধ্যম জানায়, এর মধ্য দিয়ে ইসরায়েলি আগ্রাসন মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধভাবে প্রস্তুতি নেয়ার বার্তা দেয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ফিলিস্তিনিদের এই মহড়া স্বাভাবিকভাবেই ইসরায়েলের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। এটি রীতিমতো দেশটির জন্য ‘বড় দুঃসংবাদ’ হয়ে দেখা দেবে আগামীতে।

সম্প্রতি চুক্তি করে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কো। এসব দেশকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যায়িত করে পিঠে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ করে ফিলিস্তিনি নেতারা। সেইসঙ্গে ‘দখলদার’ ইসরায়েলের প্রতিটি আগ্রাসী পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেয়ার ঘোষণা দেয় দেশটির প্রতিরোধ সংগঠনগুলো।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •