আলমগীর মানিক,রাঙামাটি :
দেশের একদশমাংশ এলাকাজুড়ে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে এখনো পর্যন্ত ষড়যন্ত্র থেকে নেই বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও শান্তিতে যারা খুশি নয়, তারাই পার্বত্যাঞ্চল নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে দেশের শান্তিতে যারা খুশী নয়, পার্বত্য অঞ্চলের অঞ্চলের উন্নয়নে ও তারা খুশী নয়। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে অতীতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে এখনো পর্যন্ত সেই ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। পাহাড় নিয়ে ষড়যন্ত্রকারিদের বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকার আহবানও জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।
সোমবার সকালে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ট্যুর ডি সিএইচটি মাউন্টেন বাইক’ প্রতিযোগীতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল আলম নিজামী’র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে খাদ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার, শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, মহিলা সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা,পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সফিকুল আহম্মদ,রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়াম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী,খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ,পুলিশ সুপার মীর মোদ্দাছছের হোসেনসহ রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির জনপ্রতিনিধি স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি ড.হাসান মাহমুদ আরো বলেন, পার্বত্যাঞ্চলসহ পুরো চট্টগ্রামে ট্যুরিজমের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সাইক্লিং ট্যুরের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের নাম এবং এখানকার ট্যুরিজমের যে সম্ভাবনা রয়েছে সেটা সমগ্র বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে। পৃথিবীর অনেক দেশ ট্যুরিজমকে কাজে লাগিয়ে তাদের উন্নয়ন ঘটিয়েছে। আমাদের দেশে ট্যুরিজমের যে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে তা যদি আমরা কাজে লাগাতে পারি তাহলে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। সেজন্য প্রয়োজন অবকাঠামোগত উন্নয়ন। সেটি আমাদের সরকার অনেক করেছেন। শান্তি-স্থিতিও প্রয়োজন, সমস্ত কিছু মিলে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে।
বঙ্গবন্ধু ট্যুর ডি সিএইচটি এমটিবি চ্যালেঞ্জ ২০২০ প্রতিযোগিতার ১ম দিনে উদ্বোধনের পর সোমবার বিকালে সাইক্লিস্টরা সাজেক থেকে যাত্রা করে খাগড়াছড়ি হয়ে রাঙামাটি চিংহ্লামং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে অবস্থান করবেন।
আগামীকাল ২য়দিন ২৯ ডিসেম্বর রাঙামাটি চিংহ্লা মং চৌধুরী মারী স্টেডিয়াম থেকে অংশগ্রহণকারীরা বান্দরবান স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন। সেখান থেকে থানচী পর্যন্ত গিয়ে শেষ হবে এই প্রতিযোগিতা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •