দেলোয়ার হোসাইন টিসু :

আজ সকাল ৭টা থেকে পালংখালী অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির দিনব্যাপী ধর্মঘট পালন করা হয়েছে।

উখিয়া উপজেলার সর্ববৃহৎ রোহিঙ্গা ধুষিত এলাকা পালংখালী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষে পালংখালী অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে আজ থাইংখালী স্টেশন চত্বরে বৃহৎ পরিসরে ধর্মঘট পালন করা হয়।

পালংখালী অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে আজকের এই ধর্মঘটে স্থানীয় শত শত শিক্ষিত বেকার যুব সমাজের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থরের ভোক্তভোগী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

তারা সকাল থেকে দাফনের কাপড় পড়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং প্রত্যেকটি গাড়ি তল্লাশি করে এনজিও কর্মিদের ক্যাম্পে যেতে বাধা দেয়। তাদের দ্বাবি ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা আসার কারণে স্থানীয়দের নানা ক্ষতি হয়েছে।তারা প্রতিনিয়ত তা ভোগ করছে। রোহিঙ্গা আসার ফলে দেশিবিদেশি নানান এনজিও-আইএনজিও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। তারা বার বার স্থানীয় শিক্ষিত সমাজকে বাদ দিয়ে চাকরি করার সুযোগ না দিয়ে রোহিঙ্গা যুবকদের দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
তাছাড়া উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা অন্যান্য অঞ্চলের হওয়াই তারা সুকৌশলে তাদের আত্মীয় স্বজনদের চাকরির সুযোগ করে দিচ্ছে। যার কারণে স্থানীয় শিক্ষিত সমাজ বাদ পড়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য গত চার-পাঁচ মাস ধরে স্থানীয়রা বিষয়টি শরণার্থী কমিশনার কার্যালয়, বিভিন্ন এনজিও সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জানিয়ে আবেদন জানিয়েছিল।এসময় তাদের চাকরিসহ নানা অধিকার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও প্রশাসনসহ এনজিও সংস্থাগুলো দাবি বাস্তবায়ন না করায় আন্দোলনে নামার কথা জানান বিক্ষোভকারীরা।

এসময় বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবক এডভোকেট এম এ মালেক, পালংখালী অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক রবিউল আলম,সদস্য সচিব আব্দুল গফুর, যুগ্ন আহবায়ক কামাল উদ্দিন, দেলোয়ার হোসাইন বাপ্পি,এতমিনানুল হক,মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ প্রমুখ।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন রোহিঙ্গা আসার কারণে স্থানীয়রা নানাবিধ সমস্যায় ভোগছে। আর এনজিও-আইএনজিও গুলো স্থানীয়দের বাদ দিয়ে ৮০% রোহিঙ্গাদের নিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রধান দাবি হল রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করা। কিন্তু এনজিও-আইএনজিও গুলো রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করার চিন্তা না করে পূর্ণবাসন করার পায়তারা চালাচ্ছে।

উপস্থিত পালংখালী অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা বলেন আমাদের প্রস্তাবিত দাবী মেনে না নিলে পরবর্তীতে আরো বড় ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করবে বলে জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •