ইমাম খাইর, সিবিএনঃ
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের হরি খোলা। নিরেট একটি গ্রামীণ জনপদ।
মাত্র ১ বছর আগেও যেখানে কাঁদামাটির কারণে হাঁটা যেতনা। ঘর থেকে বের হলেই এক পা কাঁদা। বৃষ্টি হলে তো কথাই নাই। ময়লা ও কাঁদা পেরিয়ে যেতে হতো প্রয়োজনীয় কাজে।
শিক্ষার্থী, শিশুদের পড়তে হতো মহাবিপদে। একটি সড়কের কারণে সেই চিত্র এখন আর চোখে পড়ে না।
সীমান্ত জনপদ টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের হরি খোলার মানুষের জীবনচিত্র বদলে গেছে। বেড়েছে আয়রোজগার।
একটি রাস্তার সুবাদে কপাল খোলেছে প্রায় ২০০০ মানুষের। যাদের সবাই উপজাতি।
হরি খোলার মানুষজন এখন অনেক খুশি। তাদের সুবিধার্থে সড়কের কিনারে সবজি মার্কেট করে দিয়েছে দাতা সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
রবিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, হরিখোলা এলাকায় এক জায়গায় সবজি কেনাবেচা করছে। যেখানে মিলছে টাটকা শাকসবজি। উপজাতি নারী পুরুষরা বাজারে এনেছে মুলা, আলু, টমেটো, গাজর, কলা, মরিচসহ নিজেদের ক্ষেত্রে উৎপাদিত নানা জাতের তরিতরকারি।
সবজি ঘরের একটু উত্তরে নির্মিত একটি সড়কের কারণে নতুন স্বপ্ন বুনছে হরিখোলাবাসী।
প্রায় ২৩০০ ফুট সড়কটির কাজ শুরু হয় গত সেপ্টেম্বরে। অক্টোবরে শেষ হয়। ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতায় সড়কটি বাস্তবায়ন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক।
দাতা সংস্থা ইউএনএইচসিআরের লাইভলিহোড অফিসার সুব্রত কুমার চক্রবর্তী জানান, মাত্র একটি সড়কের অভাবে হরিখোলাবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই নাজুক ছিল। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বাধাগ্রস্ত ছিল।
স্থানীয়দের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে মাটি দিয়ে প্রায় ২৩০০ ফুট সড়কটি তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানকার বাসিন্দাদের জীবনমান অনেকগুণ বেড়েছে।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •