তাজুল ইসলাম পলাশ,চট্টগ্রাম:

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আমদানি-রপ্তানি কমেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। এতে এবারের মিলিয়নেয়ার পোর্টস লিস্ট থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের নাম।

এই তালিকায় থাকে বছরে ৩০ লাখ টিইইউ (টোয়েন্টি ফিট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিটস) কনটেইনার ওঠানামা করে, বিশ্বের এমন বন্দরগুলোর নাম। গত বছরই তাতে স্থান পেয়েছিল চট্রগ্রাম বন্দর। বিশ্বে এমন সমুদ্র বন্দর ছিল ৬০টি।

বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) এনামুল করিম বলেন, করোনার কারণে এবার আমদানি-রপ্তানি কমে গিয়েছিল। ২০২০ সাল শেষের দিকে। এ বছরের হিসাবে ওঠানামা হয়েছে ২৮ লাখ টিইইউ কনটেইনার।

বন্দর ব্যবহারকারী ফোরামের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহাবুবুল আলম জানান, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের যেসব দেশে পণ্য রপ্তানি হয়, সেসব দেশে এখনো করোনার প্রকোপ বেশি।

‘নতুন করে ইউরোপের অনেক দেশে লকডাউন দেয়া হয়েছে, যার সামগ্রিক প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে।’

গত বছরই ম্যারিটাইম ওয়ার্ল্ডের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত লয়েডের জরিপে বিশ্বের শীর্ষ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সি-পোর্টের তালিকায় ৬৪তম স্থান পায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর।

চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের এপ্রিল ও মে মাসে করোনার প্রকোপ চলায় রপ্তানি পণ্য হ্যান্ডলিং একদম কমে যায়। এর মধ্যে এপ্রিলে ১৪ হাজার ৭৪৪ ও মে মাসে ৩৩ হাজার ৮৩৬ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।

তবে জুন থেকে কনটেইনার হ্যান্ডলিং বাড়তে শুরু করে। জুনে ৫২ হাজার ১৪৯ টিইইউ ও জুলাইয়ে ৭৪ হাজার ৮৪৯ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয় বন্দর দিয়ে।

আবার আগস্টে গিয়ে হ্যান্ডলিং কমে আসতে শুরু করে। সেপ্টেম্বরে ৬১ হাজার ২১৩, অক্টোবরে ৫৮ হাজার ৪২০ ও নভেম্বরে হ্যান্ডলিং হয়েছে ৫৭ হাজার ৯৩১ টিইইউ কনটেইনার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •