cbn  

বার্তা পরিবেশক:
বিগত ১০/১২/২০২০ তারিখ সেক্রেটারী আবু হেনা মোস্তফা কামাল এডহক কমিটিকে আইনি নোটিশ দিয়ে নির্বাচন বন্ধ করার অনুরোধ করেছিল। এর মূল কথা ছিল বিষয়টি দেশের সর্বোচ্চ আদালতে শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এই মুহুর্তে নির্বাচন আহ্বান করা সমিচীন নয়।
তারপর আরও কিছু ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, সোসাইটির মূল আইনে (অর্গনাইজেশন ও মেনেজমেন্ট রুলস ১৯৭৩ এর ধারা-১১-(১) নির্বাচনের বছর ডিসেম্বরের ৭ তারিখের মধ্যে সাধারণ সভা ও নির্বাচন হতে হবে। জাতীয় সদর দপ্তর থেকে ১৯ শে জানুয়ারী ২০২১ ইং মধ্যে নির্বাচন করার কথা বললেও সে আদেশে ৯সি (৩) অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অথচ সেই ধারায় নির্বাচন করার কোন সুযোগ নেই। বরং কমিটি সুপারসীড় (বাতিল) করার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পূর্নগঠন করার কথা বলা আছে। তাছাড়া তারা (আবু হেনা মোস্তফা কামাল) এও বলেছেন যে, সোসাইটির মুল আইনে (অর্গানাইজেশন ও মেনেজমেন্ট রুলস ১৯৭৩ এর ধারা-৩১) নির্বাচনের ৬০ দিন পূর্বে যারা সদস্য হবেন তারাই ভোট দিতে পারবেন। অথচ ১৪ই ডিসেম্বর যারা সদস্য হয়েছেন তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। তা সম্পূর্ণ বে-আইনী। সে রকম সুযোগ দেওয়ার ক্ষমতা জাতীয় সদর দপ্তরেরও নেই। আরও নানা অনিয়মের কথা তারা জমসম্মুখে আনবেন বলে জানিয়েছেন।
এডহক কমিটিতে অন্তভর্ূক্ত ৩জন সদস্য আদৌ সদস্য সোসাইটির সদস্য ছিলেন না। আরও একজন সদস্য তার সদস্য পদ প্রত্যাখান রয়েছেন।
সবকিছু মিলিয়ে কক্সবাজার রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি নির্বাচনের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন মহল খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
ইউনিট লেভেল অফিসার আজরুল সর্দারের স্ট্যাটাস থেকে দেখা যায়, ভোট কেন্দ্র জেলা পরিষদে করা হয়েছে। এটা মোটেও সম্ভব নয়। ভোট ইউনিটে হতে হবে এবং প্যানেলের মাধ্যমে রেড ক্রিসেন্টের ভোট হয়। এমসিকিউ পরীক্ষা হয় শুধু বোর্ড গঠনে, জাতীয় সদর দপ্তরে প্রার্থীরা। কারো বাড়িতে ভোট করার জন্য প্রার্থী হয় নাম। প্রার্থী হয়েছে ইউনিটে ভোট করার জন্য। এই দুরভিসন্ধি থেকে দূরে থাকার জন্য সকল প্রার্থী আপত্তি করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •