প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

মুক্তি কক্সবাজারের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়। গত বুধবার (১৬ ডিসেম্বর ২০১৯) যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে কক্সবাজার গোলদীঘির পাড়স্থ মুক্তি কক্সবাজার প্রধান কার্যালয় থেকে র‌্যালি নিয়ে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অপর্ণ করা হয়। করোনা মহামারির কারনে সংকিপ্ত পরিসরে সকাল ৯টায় প্রধান কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে মুক্তি কক্সবাজার আয়োজিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মুক্তি কক্সবাজারের মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন অফিসার ফয়সল মাহমুদ সাকিব। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদ, জাতীয় চার নেতা এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তি কক্সবাজারের কো-অর্ডিনেটর (প্রোগ্রাম) অশোক কুমার সরকার, জিবিভিআই.ই প্রকল্পের কেইস ম্যানেজার যোবাইদা খানম মুন্নি এবং বেবি ভট্টাচার্য প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বিজয় দিবসের গান পরিবেশন করেন এফডিএমএন (শিক্ষা) প্রকল্পের শিক্ষক ত্রিপর্ণা ধর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুক্তি কক্সবাজারের বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মত মহান নেতার জন্ম হয়েছিল বলেই আমরা একটি স্বাধীন ভূখন্ড পেয়েছি, লাল সবুজের পতাকা পেয়েছি। তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আমাদের দেশের মানুষের উপর বিভিন্ন ভাবে জুলুম নির্যাতন চালত। আমাদের দেশে উৎপাদিত সোনালী আঁশ পাট নিয়ে যেত তাঁদের দেশে। শিল্পকারখানা গড়ে উঠত ঐ পশ্চিম পাকিস্তানে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে উজ্জীবিত হয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে না পড়লে দেশের মানুষ পিয়ন, কেরানী ছাড়া কোন উচ্চ পদে চাকরিও করতে পারত না।

তিনি আরো বলেন, এখন সময় এসেছে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশপ্রেমে উদ্বোদ্ধ হয়ে দেশের কল্যানে কাজ করতে হবে। এই দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে নিজেদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি অনুষ্ঠানেরও সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •