প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে বাংলাদেশ৷ অথচ দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিতর্ক এখনও শেষ হয়নি৷ এক কথায় বললে এর মূল কারণ দুই দল এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতি৷
দেশ থেকে সাম্প্রদায়িকতা নির্মূলের নামে ধর্ম ব্যবসায়ীদের সাথে অাতাত করেছে খোদ বঙ্গবন্ধুর দল।

আমরা যেন ১৯৪৭-পূর্ববর্তী সাম্প্রদায়িক উন্মাদনার যুগে ফিরে গেছি।
দুর্নীতি, বেপরোয়া লুটপাট ও সশস্ত্র অন্তর্দ্বন্দ্বে ক্ষতবিক্ষত শাসক দল আজ পরিপূর্ণরূপে আদর্শহীন। এমনকি অসাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নেও তারা বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারে না, যদিও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের একচেটিয়া ভোট তারা পায়।

সাম্প্রদায়িক শক্তির প্রথম টার্গেট ছিলেন ব্লগার, লেখক, প্রকাশক। ক্রমাগত টার্গেট বৃদ্ধি পাচ্ছে পুরোহিত, যাজক, মন্দিরের পূজারি, শিয়া মুসল্লি—সবাই চাপাতির ঘায়ে বা বোমার আঘাতে নিহত হচ্ছেন।
এমন বাংলাদেশর চিত্র একাত্তরের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে।

ছাত্র ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলা সংসদের সভাপতি অন্তিক চক্রবর্তী’র সভাপতিত্বে সহকারী সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ রুদ্রের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের অালোচনায় এমনই মন্তব্য করেন ছাত্র ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ। কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একাত্তরের শহীদদের উদ্দেশ্য শ্রদ্ধা জানানোর পর লালদীঘির পাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা সংসদের দপ্তর সম্পাদক অাপন দাশ, শহর সংসদের সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদিল জয়। কক্সবাজার সিটি কলেজ সংসদের সমন্বয়ক মুহাইমিনুল রানিম, ক্লোরিন চাকমা ও নিলয় দাশ।

এসময় অন্তিক চক্রবর্তী বলেন,
সাম্প্রদায়িক শক্তির পাহাড়াদার বর্তমান সরকার, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এখন কাঠগড়ায়।
বাংলাদেশে ধর্মান্ধ সশস্ত্র জঙ্গি তৎপরতা যে খুবই উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে গেছে, তা আর অস্বীকার করার উপায় নেই।
ক্রসফায়ারের গল্প কেউ বিশ্বাস করে না। এটাকে বিচারবহির্ভূত হত্যা বলে মনে করা হয়। এমন বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রের সর্বনাশ বস্তুত অন্ধকারের শক্তিবৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
আশু রাজনৈতিক ফায়দা লাভের দিক না ভেবে এই অশুভ শক্তিকে এখনই দমন করতে হবে। অবশ্য প্রশাসনিক পদক্ষেপ, গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি—এই সব তো করতেই হবে, একই সঙ্গে জনগণকেও সমবেত করতে হবে। এ জন্য উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশও তৈরি করতে হবে। সমাজের মধ্য থেকেই গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •